শিরোনাম
বিবিসি সিউজ বাংলার সৌজন্যে
প্রকাশ: ১০:০৫, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
সমকালের শিরোনাম 'আসিফ পদত্যাগ করবেন মাহফুজ অনিশ্চিত'। এই খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচনে অংশ নিতে আজ বা আগামীকালের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তবে অপর ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম পদত্যাগ করবেন কিনা- তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তিনি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে সরকারে থাকতে পারেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।
নির্বাচনে প্রার্থী হতে তিনি ঢাকার ভোটার হয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় অথবা আগামীকাল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তফশিলের আগেই তিনি পদ ছাড়বেন।
এনসিপি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে সমকালকে জানিয়েছে, মাহফুজ আলম সরকারে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে তাঁর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা গেলেও, তা হচ্ছে না। আসিফ মাহমুদ ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী হবেন।
এনসিপি যদি আগামী নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয় তবেই আসিফ এনসিপিতে আসবেন। তা না হলে তিনি বিএনপিতে যোগ দিতে পারেন-এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে এনসিপির সূত্র।
আজকের পত্রিকার শিরোনাম '১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন'। খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) । আজ বুধবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবে কমিশন ।
এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের ভাষণ রেকর্ড করা হবে। তিনি আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারে দেওয়া ভাষণে তফসিল ঘোষণা করতে পারেন। সব ঠিক থাকলে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে ১২ই ফেব্রুয়ারি ।
আগামী ৫, ৮ ও ১২ই ফেব্রুয়ারির যেকোনো দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে কমিশন জানায়, ৮ থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোট হবে।
এর মধ্যে ৮ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট করার বিষয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইসি। সেখান থেকে সরে ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন , ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। দিনটি বৃহস্পতিবার। ভোট গ্রহণের পর ভোটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
ভোটের পরের দুই দিন সরকারি ছুটি থাকায় তাঁরা সেই সুযোগ পাবেন । এ জন্য ১২ই ফেব্রুয়ারিকে ভোটের দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম 'ভোটের ট্রেনের বাঁশি বাজছে'। খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচনী ট্রেন যাত্রা শুরুর জন্য প্রস্তুত। নির্বাচন কমিশন (ইসি) হুইসল বাজালেই গন্তব্যে রওনা হবে। যাত্রা শুরু হতে পারে আজ বুধবার অথবা আগামীকাল বৃহস্পতিবার। তফসিলসহ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের ভাষণ প্রস্তুত।
রেওয়াজ অনুযায়ী আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কমিশনের সাক্ষাৎপর্ব সম্পন্নের পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভি সিইসির ভাষণ রেকর্ড করবে।
রেকর্ডের পর ওই ভাষণ তাৎক্ষণিক সম্প্রচারের প্রস্তুতি রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আজই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর আগের নির্বাচনগুলোতে তৎকালীন সিইসিদের ভাষণ রেকর্ডের দিনই তা সম্প্রচারের নজির রয়েছে।
সিইসি গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, 'আমরা নির্বাচনী ট্রেনে উঠে গেছি। এ সপ্তাহেই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে।'
তফসিল ঘোষণার বিষয়ে গতকাল নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, 'আগামীকাল (বুধবার) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যায় কিংবা ১১ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) সিইসি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করবেন। ভাষণে রাজনৈতিক দলসহ সবার সহযোগিতার বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
যুগান্তরের শিরোনাম 'রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের মাঠে'। খবরটিতে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুত দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। গণসংযোগের পাশাপাশি জোট বা আসন সমঝোতাও ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনটি জোট গঠন হয়েছে।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বেশির ভাগ দলের প্রার্থীরা এখন নিজ এলাকায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। সব মিলিয়ে তফসিলের আগেই ভোটের মাঠে একধরনের উৎসব বিরাজ করছে।
এদিকে ভোটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে দলগুলোর দৌড়ঝাঁপও বাড়ছে। গঠিত হচ্ছে নতুন নতুন রাজনৈতিক জোট। এরই মধ্যে ৯টি বাম দল নিয়ে গঠিত হয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। জাপা ও জেপির নেতৃত্বে এসেছে নতুন জোট 'জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট'।
তবে আলোচনায় এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন নিয়ে গঠিত নতুন গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট। জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি দলও আসন সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বেও জোট গঠনের তৎপরতা চলছে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠের এসব কর্মকাণ্ড তফসিলের আগেই পুরো ভোটের আমেজ তৈরি করেছে।
'ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন' মানবজমিনের শিরোনাম। এই খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত। কারণ দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
তাহলে এই অবস্থায় কী হবে দলটির ভবিষ্যৎ? ঢাকা-দিল্লি আনুষ্ঠানিক- অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আলোচনায় বিষয়টি এসেছে। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
তবে ঢাকার তরফে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নেয়া সম্ভব নয়। তারা চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন।
যাদের ইমেজ অপেক্ষাকৃত ক্লিন তাদের পক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে তাদের এমন কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকায় গত ১২ই মে এক প্রজ্ঞাপনে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
'নির্বাচিত সরকারের প্রতি মানুষের আশাবাদ বেশি' প্রথম আলোর শিরোনাম।
প্রথম আলোর উদ্যোগে 'কি মেকারস কনসালটিং' পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের পরবর্তী নির্বাচিত সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সফল হবে বলে মনে করেন অর্ধেকের বেশি মানুষ।
নির্বাচিত সরকারের প্রতি মানুষের এই আশাবাদের বিষয়টি উঠে এসেছে প্রথম আলোর উদ্যোগে করা এক জরিপের ফলাফলে।
'গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে জাতীয় জনমত জরিপ ২০২৫' নামের জরিপটি পরিচালনা করেছে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কিমেকারস কনসাল্টিং লিমিটেড।
জরিপে উত্তরদাতারা নির্বাচিত সরকারের প্রতি আশাবাদের পাশাপাশি কিছু আশঙ্কার কথাও বলেছেন। বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, দুর্নীতি দমনে নির্বাচিত সরকার সফল হবে না।
জরিপে একটি অংশে ১০টি বিষয় উল্লেখ করে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে এসব বিষয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার কতটা সফল বা ব্যর্থ হবে বলে আপনি মনে করেন? এর মধ্যে ৮টি ক্ষেত্রে নির্বাচিত সরকারের সফলতার আশা করছেন ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ।
যে ৮টি বিষয়ে নির্বাচিত সরকার সফল হবে বলে বেশির ভাগ মানুষ মত দিয়েছেন, এর একটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৭৩ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচিত সরকার সফল হবে।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Extrajudicial killings, custodial torture still stalk Bangladesh' .
গত বছর গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং হেফাজতে মৃত্যুর অবসান হবে এমন আশা দেখা দিয়েছিলো।
কিন্তু এরপরেও দেশে এ ধরনের মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এই গুরুতর অধিকার লঙ্ঘন রোধে অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এ ধরনের মৃত্যু এবং নির্যাতনের ধারাবাহিকতা দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রতিফলন। এসব ক্ষেত্রে দায়ীদের খুব কমই জবাবদিহির আওতায় আনা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩০ বছর বয়সী প্রবাসী হযরত আলীর মৃত্যু এ ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। গত বছরের ৬ই ডিসেম্বর বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় তাকে আটক করা হয়। পরদিন তার ক্ষতবিক্ষত লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওই সময়, বাঞ্ছারামপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলমও এ ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি শুধু বলেছিলেন, যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়েছিল এবং হযরত আলী বেশ কয়েকটি ডাকাতির মামলায় ওয়ান্টেড ছিল।
গত শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন কিন্তু বিস্তারিত জানেন না।
'খালেদা জিয়ার অবস্থার অবনতি না হলে নেওয়া হবে লন্ডনে' ইত্তেফাকের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তা ক্রমেই উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবারও খালেদা জিয়ার ডায়ালাইসিস করা হয়েছে। একাধিক পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়েছে। রাতে একটি সূত্র জানায়, তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির পরিপ্রেক্ষিতে মেডিক্যাল বোর্ড অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের জন্য লন্ডন নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন।
নতুন করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার যদি অবনতি না হয় তাহলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কল করা হতে পারে। বিদেশে নেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। চিকিৎসকদের অনুমতি পেলে অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় এসে খালেদা জিয়াকে বহন করে নিয়ে যাবে।
এদিকে, লন্ডন ব্রিজ হাসপাতালে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রেখেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বেগম জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। প্রতি মুহূর্তে মায়ের চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন তিনি।
লন্ডন ব্রিজ হাসপাতালের দুই জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এভারকেয়ার হাসপাতালে অবস্থান করে খালেদা জিয়ার চিকিৎসকদের সঙ্গে যুক্ত আছেন। এদিকে বেশির ভাগ সময় হাসপাতালে শাশুড়ির শয্যাপাশে কাটাচ্ছেন পুত্রবধূ বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।
চিকিৎসার সার্বিক প্রক্রিয়া তিনি সমন্বয় করছেন। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে মেডিক্যাল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে চিকি#সায় পরিবর্তন আনছেন।
ইত্তেফাক
'ভারতীয় সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণের অবসান' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। অথচ গত ১৪ বছর ধরে সেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সিস্টেমই ছিল এক বিদেশী প্রতিষ্ঠান-ভারতের টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেসের (টিসিএস) হাতে।
এ সময়টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভার, ডাটাবেইস, মুদ্রানীতি-সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য এমনকি পাসওয়ার্ড-লেভেল অ্যাক্সেস পর্যন্ত বিদেশী টেকনিশিয়ানদের হাতে ছিল- যা কোনো সার্বভৌম দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য অকল্পনীয় অবস্থা।
দীর্ঘ প্রতিরোধ, অভ্যন্তরীণ বাধা, নীতিনির্ধারণী প্রতিযোগিতা এবং প্রযুক্তিবিদদের নীরব লড়াই শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক অবশেষে নিজস্ব কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার- বিসিবিআইসিএস- এ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। ১৮ই ডিসেম্বর পুরনো ভারতীয় সফটওয়্যার বন্ধ হবে।
২০১১ সালে টিসিএস সফটওয়্যার চালু হওয়ার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবনের ৩০-তলায় ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের স্থায়ী অফিস ছিল।
তারা বিভিন্ন অ্যাক্সেস পেতেন। এই অ্যাক্সেস 'অস্বাভাবিক' এবং 'নিরাপত্তাহীন' ছিল- এমন অভিযোগ বহু বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতর থেকেও উঠেছে।
একাধিক কর্মকর্তা বলেন- 'এটি ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যভাণ্ডারে একটি বিদেশি দেশের টেকনিক্যাল প্রবেশদ্বার। কী পরিমাণ তথ্য বের হয়েছে, কেউ তা জানে না।'
'সবল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান দুর্বল ব্যাংকে আমানত রেখে বিপাকে' বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎসহ কয়েকটি খাতের ১৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।
কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা থেকে আহরিত আয় ও মুনাফার একটি অংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মেয়াদি ও চলতি হিসাবে জমা রাখে।
এ বছরের জুন শেষে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর গচ্ছিত আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা। যার বড় অংশই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর।
এ আমানতের একটি অংশ রয়েছে কয়েকটি দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। এসব দুর্বল প্রতিষ্ঠানে গচ্ছিত আমানত ফেরত পাওয়া সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬ হাজার ৬১০ কোটি টাকার আমানত রয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের।