ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

বললেন মির্জা ফখরুল

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য এ কে খন্দকার চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন

বাসস

প্রকাশ: ১৯:২৮, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১৯:৩০, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য এ কে খন্দকার চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন

একে খন্দকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। বাসস।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান বীর সেনানী ও সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার বীর উত্তমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য এ কে খন্দকার জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

৯৫ বছর বয়সী এ কে খন্দকার বার্ধক্যজনিত কারণে শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।

আজ শনিবার এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে গণমাধ্যমে পাঠানো শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যাথী।

মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান (ডেপুটি চীফ অব স্টাফ) মরহুম এ কে খন্দকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। সাবেক এই এয়ার ভাইস মার্শাল গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূণ ও সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য ‘বীর উত্তম’ খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তিনি জাতির নিকট চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তাঁর নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পৃথিবী থেকে তাঁর চিরবিদায়ে আমি ব্যথিত ও মর্মাহত হয়েছি। দোয়া করি-মহান রাব্বুল আলামিন যেন তাকে বেহেস্ত নসীব এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।

বিএনপি মহাসচিব শোকবার্তায় এ কে খন্দকার বীর উত্তম এর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকার্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন