ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
পোস্টাল ব্যালটে অনিয়ম করলে এনআইডি ব্লকসহ ফৌজদারি মামলা হবে: ইসি সানাউল্লাহ
Scroll
জুলাই যোদ্ধাদের ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ সংক্রান্ত সব কর্মকাণ্ডে পূর্ণ দায়মুক্তি
Scroll
মনোনয়ন গ্রহণ, বাতিল: ইসিতে ষষ্ঠ দিনে আরো ৬০ আপিল মঞ্জুর
Scroll
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সপরিবারে সাক্ষাত করেছেন তারেক রহমান
Scroll
হোস্টিং.কম বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করল
Scroll
বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে চীনা বিশ্ববিদ্যালয় বেশ ভাল করছে, পিছিয়ে পড়ছে মার্কিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
Scroll
নির্বাচন ভোটারবান্ধব ও সহজ করতে ইসিকে আহ্বান জানানো হয়েছে
Scroll
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে সবুজ শিল্পায়ন সম্ভব: শিক্ষা উপদেষ্টা
Scroll
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়ানোর আপিল শুনানি ২০ জানুয়ারি
Scroll
গণভোট নিয়ে সপ্তাহব্যাপী প্রচারণা : জেলায় জেলায় যাচ্ছেন উপদেষ্টারা
Scroll
জাপানে মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদে থাকলে ভাষা শিখতে হবে
Scroll
দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
Scroll
হাওর ও জলাভূমি রক্ষায় নতুন অধ্যাদেশ জারি: অবৈধ দখলে ২ বছরের জেল
Scroll
পত্রিকা: ’রাতের ভোটে লেনদেন ১০ হাজার কোটি’
Scroll
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসার কাজ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী আছে চট্টগ্রামে
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা
Scroll
আইন না থাকার কারণেই কি কমছে নারী প্রার্থীর সংখ্যা?
Scroll
জাপানে উচ্চ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অফুরন্ত: জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
Scroll
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও সমমনা জোট নেতাদের সাক্ষাৎ

আবু সাঈদ হত্যায় দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

বাসস

প্রকাশ: ১৯:৫৯, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

আবু সাঈদ হত্যায় দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আবু সাঈদ।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ দেওয়া সাক্ষ্যে আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি, বেগম রোকায়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গুলি চালনো অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি চান জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা হাসনাত আবদুল্লাহকে জেরা করেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউসন পক্ষে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামীম শুনানি করেন। এসময় অপর প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে আসামি পক্ষে জেরা করেন আইনজীবী আমিনুল গনি টিটু ও আজিজুর রহমান দুলু-সহ অপর আইনজীবীরা।

আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ৩০ জুন ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এই মামলার যে ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনা হয়, তাদের মধ্যে গ্রেফতার ৬ জন হলেন— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন যখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আবু সাঈদ।

২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যতম সমন্বয়কও ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ হাতে নিরস্ত্র আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরো গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।

ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, তার দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। জাজ্জ্বল্যমান এসব অপরাধের বিচার এখন অনুষ্ঠিত হচ্ছে দু’টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন