শিরোনাম
বিবিসি নিউজ বাংলা
প্রকাশ: ০৯:৫১, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: বিবিসি নিউজ বাংলার সৌজন্যে।
দেশ রূপান্তর পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- ভোটের মাঠে রোহিঙ্গা ও জঙ্গি। খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কক্সবাজারে অবৈধ ভোটার ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি তৎপরতার তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
কক্সবাজার জেলার চারটি আসনে মোট ভোটার প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ। এর মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি ভোটার রোহিঙ্গা বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ১৯৮০ সাল থেকে অসাধু কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় এবং মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তারা জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন।
বর্তমানে পুরো কক্সবাজার জেলাতেই রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে রয়েছে। ভোটার হওয়ার কারণে স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের গুরুত্বও বেড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা তাদের কাছে গিয়ে ভোট চাইছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ধরনের ঘটনা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
অন্যদিকে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও উদ্বেগজনক তথ্য মিলেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সেখানে নতুন করে একটি জঙ্গি নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি বাগেরহাটের ফকিরহাট এলাকায় কয়েকজনকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়েছে জঙ্গিরা। গত সপ্তাহে যশোরে এক সদস্যের বাড়ি থেকে ১০টি গ্রেনেডসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
মানবজমিন পত্রিকার খবর ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ- সেনাবাহিনী।
ঢাকা-১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ১৮ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার লে. কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর। এর মধ্যে ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-১৪, ১৬ ও ১৮ এই তিন আসনের সার্বিক নিরাপত্তা ও নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
এস এম ফুয়াদ মাসরুর বলেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়া নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রগুলোকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, মধ্যম ও সাধারণ শ্রেণিতে ভাগ করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার তথ্য প্রচারের আগে সাংবাদিকদের প্রাথমিক যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভুল তথ্য বা উস্কানিমূলক সংবাদ পরিবেশন না হয়।
প্রথম আলোর খবর - বিদায়বেলায় 'বিতর্কিত' প্রকল্প। খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা ওয়াসা আগে থেকেই ঋণে জর্জরিত। ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। এরই মধ্যে তারা আরেকটি ঋণনির্ভর প্রকল্প নিয়েছে।
নাম ঢাকা ওয়াসা প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা একাডেমি স্থাপন। ব্যয় ৭২১ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের পাশাপাশি আশপাশের দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মীদের প্রশিক্ষণের কথা বলছে।
সরকারের রাজস্বঘাটতির মধ্যে এ ধরনের প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন ছিল।
তবে অন্তর্বর্তী সরকার সমালোচনা উপেক্ষা করে বিদায়বেলায় প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে ২০২৫ এর ডিসেম্বর ও ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসেই ৬৪টি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। যেগুলোর মোট ব্যয় ১ লাখ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি নতুন প্রকল্প।
ণিক বার্তা পত্রিকার খবর- সেনাবাহিনীর পেশাদারত্বের ওপরই গণতন্ত্রে উত্তরণ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র তিনদিন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেন, সেজন্য কেন্দ্র ও আশপাশ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা যাতে আগেই প্রতিহত করা যায়, সে লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর টহল ও তৎপরতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা, প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের জন্য ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ভোট দেয়া কিংবা সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার দায়িত্বও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরই থাকবে।
এছাড়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী তৎপরতা দমন এবং বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কালের কণ্ঠের আজকের খবর, দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহার- প্রতিশ্রুতি পূরণে সক্ষমতা কম।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত তাদের ইশতেহারে উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।
বিএনপি বলেছে, তারা ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করবে এবং এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়বে। অন্যদিকে জামায়াতের লক্ষ্য, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি দুই ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং মাথাপিছু আয় ১০ হাজার ডলারে নেওয়া।
জিডিপি প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও দুই দলই বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বিএনপি সাড়ে ৮ শতাংশ এবং জামায়াত প্রায় ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বলছে।
অথচ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৩.৯৭ শতাংশ। চলতি বছর তা সাড়ে ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়েছিল।
নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Bangladesh confirms year's first Nipah death অর্থাৎ দেশে চলতি বছরের প্রথম নিপাহে মৃত্যু
চলতি বছরে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নওগাঁর মান্দা উপজেলার ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী এক নারী গত ২৮ জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাজশাহী বিভাগে নিপাহ আক্রান্ত একজনের তথ্য জানানো হয়। গত ২৯ জানুয়ারি পরীক্ষাগারে তার দেহে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়।
ডব্লিউএইচওর প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারীর কোনো ভ্রমণের ইতিহাস ছিল না। তবে তিনি কাঁচা খেজুরের রস পান করতেন।
আক্রান্ত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের কারও শরীরে নিপাহ ভাইরাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা।
আজকের পত্রিকার খবর- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শেষ সময়ে এমপিওর তোড়জোড়।
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের শেষ তিন মাসের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা।
১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন নেওয়া হয়। আবেদন শেষ হওয়ার ছয় কর্মদিবসের মধ্যেই সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা করে অর্থ বরাদ্দ চাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা বলছেন, এত দ্রুত তালিকা তৈরি করে চিঠি পাঠানো তড়িঘড়ির সিদ্ধান্ত বলেই মনে হচ্ছে।
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- নির্বাচনে অস্বস্তির ছায়া।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সুশাসনের নতুন ধরনের উদ্বেগ সামনে এসেছে। গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক মূল্যায়নে ইঙ্গিত মিলেছে, ভোট বানচাল বা ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কিছু দল ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী কৌশলগত অনিয়ম, পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা এবং তথ্যযুদ্ধের আশ্রয় নিতে পারে।
বিশেষ প্রতিবেদনে চিহ্নিত হয়েছে চারটি বড় ঝুঁকি- (১) ব্যালট জালিয়াতি, (২) মোবাইলভিত্তিক গুজব ও বিভ্রান্তি, (৩) সশস্ত্র স্থানীয় গোলযোগ, (৪) বিদ্যুৎ নাশকতার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এগুলো সরাসরি ভোট ডাকাতির চেয়ে "বিশ্বাসহানির রাজনীতি"-অর্থাৎ নির্বাচনকে অবিশ্বাস্য করে তোলা-এই লক্ষ্যেই বেশি কার্যকর।
গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে- কোনো কোনো দল নিজেদের নিয়ন্ত্রিত স্থাপনায় ব্যালট সদৃশ কাগজ ছাপিয়ে কর্মীদের মাধ্যমে ভোটের সময় বাক্সে ঢোকানোর চেষ্টা করতে পারে।
টাইমস অফ বাংলাদেশ পত্রিকার সংবাদ- Businesses seek stability, energy, growth অর্থাৎ ব্যবসায়ীরা চান স্থিতিশীলতা, বিদ্যুৎ ও প্রবৃদ্ধি।
আসন্ন নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা করছেন দেশের ব্যবসায়ী নেতারা।
তাঁরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেওয়া কিছু নীতির কারণে অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে। তাই নতুন সরকারের ভুল করার সুযোগ খুবই সীমিত।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর রোডম্যাপ প্রয়োজন।
টাইমস অব বাংলাদেশকে তিনি জানান, নির্বাচন শেষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বেসরকারি খাতকে টিকিয়ে রাখতে ও পুনরুজ্জীবিত করতে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে অনেক কারখানা 'টিকে থাকার লড়াইয়ে' চলছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে শিল্পখাত আরও ঝুঁকিতে পড়বে।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- Ctg port workers resume indefinite strike today অর্থাৎ আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিকরা।
চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক ও কর্মচারীরা আজ থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। আগের তুলনায় এবার তারা আরও কঠোর কর্মসূচি নিয়েছেন।
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তারা বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রমও বন্ধ করে দেবেন। গত সপ্তাহের ছয় দিনের কর্মবিরতিতে বহির্নোঙর এর আওতায় ছিল না।
বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর শ্রমিকরা দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেছিলেন। ওই বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষের নেওয়া শাস্তিমূলক বদলি ও ১৫ জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা প্রত্যাহারের আশ্বাস দেওয়া হয়।
তবে দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়ায় আবারও আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
শ্রমিকদের এই কর্মসূচির কারণে বন্দরের পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্য কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।