ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ল

বাংলা বিডিনিউজ

প্রকাশ: ১০:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ল

প্রতীকি ছবি: বাংলা বিডিনিউজের সৌজন্যে।

মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বেলাতেও খাটবে একই সময়সীমা। ব্যবসায়ীদের অনুরোধে দোকানপাট খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়েছে সরকার।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান খোলা রাখা যাবে। বিভিন্ন মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে সায় দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব মেলা চলছে বা শুরু হতে যাচ্ছে, সেসবের ক্ষেত্রে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বেলাতেও একই সময়সীমা মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ঠিক করা হয়। পাশাপাশি দোকান, মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখার কথা বলা হয়। 
তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও জরুরি সেবাকে এ বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়েছে।

সরকার তখন বলেছিল, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপ সামাল দিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর পরই বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সকাল ৯টার বদলে বেলা ১১টা থেকে দোকান খুলে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখার দাবি জানায়। সংগঠনটি বলেছিল, ৭০ লাখ দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী এবং দুই কোটি ৫০ লাখ কর্মচারীর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া দরকার।

পরে রোববার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দোকান মালিক সমিতির আবেদন বিবেচনা করে দোকান, মার্কেট ও শপিংমল খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।

“সেক্ষেত্রে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে।”

সোমবার চিঠির মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠ প্রশাসনকে জানানো হল। এখন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে সারা দেশে তা কার্যকর হবে।

 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন