ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, ২১ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার: পরিবেশ মন্ত্রী
Scroll
মানবাধিকার সংরক্ষণের বিষয়টি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Scroll
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে: তথ্যমন্ত্রী
Scroll
জুনে চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Scroll
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
Scroll
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
Scroll
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল শুরু
Scroll
নেপালে উন্নয়ন কূটনীতি: রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির নতুন পররাষ্ট্র কৌশল
Scroll
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত
Scroll
সিঙ্গাপুর থেকে এলো আরো ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল
Scroll
সুস্থতার সুবাসে দিনের ক্লান্তি মুক্তি: চীনে সুগন্ধির বাজার ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
Scroll
বিনামূল্যে খাদ্যকেন্দ্রিক পর্যটন জনপ্রিয় হচ্ছে ভারতে
Scroll
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে: ইরানের দাবি
Scroll
পত্রিকা: ’যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি- বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা হারানোর শঙ্কা : সিপিডি’
Scroll
পুলিশ ও প্রশাসনে অবসর-বরখাস্ত থেকে ফেরানোর প্রভাব কেমন হবে
Scroll
বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওঠানামা কেন গুরুত্বপূর্ণ
Scroll
সংঘাত শেষের ইঙ্গিত পেয়ে তেলের দাম কমছে
Scroll
আমরা এ পর্যন্ত সংবিধান মেনেই এসেছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Scroll
৪,০০০ এসআই পদ সৃষ্টির প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে সরকার
Scroll
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরব না : প্রধানমন্ত্রী

মানবাধিকার সংরক্ষণের বিষয়টি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাসস

প্রকাশ: ২১:৫৭, ১১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫৮, ১১ মার্চ ২০২৬

মানবাধিকার সংরক্ষণের বিষয়টি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুধবার ঢাকায় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বাসস

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, `মানবাধিকার সংরক্ষণের বিষয়টি আমাদের প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনি ইশতেহারে রয়েছে। এটা আমাদের ৩১ দফায়ও রয়েছে। '

তিনি বলেন, ইশতেহারে বিভিন্ন বিষয়ে আমরা কমিশন করার কথা বলেছি, যার মধ্যে মানবাধিকার এবং ট্রুথ এন্ড হিলিং কমিশনের কথাও রয়েছে। 

মন্ত্রী বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম-রিফর্ম ওয়াচ’ আয়োজিত ‘মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 

নাগরিক প্লাটফর্ম এর আহবায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এর ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে সংলাপে অংশ নেন ব্যারিস্টার এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান এমপি, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি, অধ্যাপক রেহমান সোবহান, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, নারীনেত্রী খুশী কবির প্রমুখ।  

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আমরা উন্নত করার চেষ্টা করছি ধীরে ধীরে বা পর্যায়ক্রমে। তবে এটা রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এর জন্য সময় লাগবে। আমরা গণতান্ত্রিক ভালো প্র্যাকটিসগুলো করতে চাই; অতীতের খারাপ সংস্কৃতি দূর করে ভালো সংস্কৃতি চর্চা, সৃজন ও লালনের মাধ্যমে ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে আসতে চাই। আর ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা আমরা জাতীয় সংসদ থেকেই শুরু করতে চাই।  

মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট রেজিমে আমরা মারাত্মক আকারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সংঘটিত হতে দেখেছি, বিশেষ করে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে। সেজন্য একটি রাজনৈতিক দল বা জাতি হিসেবে আমরা মানবাধিকার সংরক্ষণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; বিশেষ করে সংবিধানে যেসব মৌলিক মানবাধিকার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। 

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে যাতে ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা শূন্যতে নেমে আসে, সেজন্য আমাদেরকে ধীরে ধীরে বা পর্যায়ক্রমিকভাবে মানবাধিকার উন্নয়নে যেতে হবে। রাতারাতি শতভাগ মানবাধিকার সংরক্ষণ সম্ভব নয়। 

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানবাধিকার মান ও সূচককে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নত করতে চাই। তবে সেজন্য আমাদেরকে সময় দিতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, যে মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ হয়েছে, সেখানে প্রায় সব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। কিছু কিছু বিষয়ে সংশোধনী আনতে হতে পারে যেগুলো সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ধ্যান-ধারণা মতে জারি করেছে, সেই অধ্যাদেশগুলোর অধিকাংশই হয়তো হুবহু আকারে আমরা গ্রহণ করতে পারবো। তবে বেশ কিছু অধ্যাদেশ রয়েছে, যেগুলো আলোচনার দাবি রাখে। 

তিনি বলেন, যেহেতু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন যেদিন বসবে তার থেকে ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ ল্যাপস, পাস অথবা সংশোধনী আকারে গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া যেহেতু সময়ের স্বল্পতা রয়ে গেছে ৩০ দিনের (৩০ কার্যদিবস নয়), মাঝখানের বন্ধ বা ছুটির দিনও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। সেজন্য যেসব অধ্যাদেশ আমরা সংসদে উঠাতে পারবো না, সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ল্যাপস হয়ে যাবে কিন্তু পরবর্তী অধিবেশনে সেগুলো আমরা বিল আকারে আনতে পারবো। 

মন্ত্রী বলেন, সংসদে আমরা একটা প্রারম্ভিক ভাষণও দিয়ে রাখবো। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের ভেতর যেটা সম্ভব, আমরা সেটা করবো। তার মধ্যে অবশ্যই মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশটি থাকবে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৭টি অধ্যাদেশও রয়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন