শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯:১৪, ৮ মার্চ ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (Adnoc) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা "মজুত সক্ষমতার সমন্বয় করতে অফশোর উৎপাদন মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করছে," তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি। কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জানিয়েছে, "হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার ওপর ইরানি হুমকির" প্রেক্ষাপটে তারা তাদের তেলক্ষেত্র এবং শোধনাগার উভয় ক্ষেত্রেই উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে, খবর ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে ইয়াহু নিউজের।
পারস্য উপসাগরকে খোলা সমুদ্রের সাথে সংযোগকারী এই সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীটি জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানি হুমকির কারণে বর্তমানে প্রায় বন্ধ। এর ফলে বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতির কারণে লন্ডনের বাজারে তেলের দাম গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে, যা ব্যারেল প্রতি প্রায় ৯৩ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং ভোক্তারা বিকল্প উৎসের সন্ধান করছেন।
ব্লুমবার্গের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ২৫.৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করেছে। এই তেল সরবরাহের একমাত্র পথ হলো হরমুজ প্রণালী। এই অঞ্চলের বৃহত্তম উৎপাদক দেশ সৌদি আরব তাদের উত্তোলিত তেলের কিছু অংশ এই পথ থেকে ঘুরিয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের দিকে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
মজুত ট্যাঙ্কগুলো পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় কুয়েত আগেই তাদের শোধনাগারগুলোতে তেল পরিশোধনের হার কমাতে শুরু করেছিল। দেশটির আল-জুর, মিনা আল-আহমাদি এবং মিনা আবদুল্লাহ—এই তিনটি শোধনাগারের সম্মিলিত পরিশোধন ক্ষমতা প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল। এর মধ্যে আল-জুর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহত্তম তেল শোধনাগার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আশা করেন যুদ্ধ শেষে তেলের দাম কমে যাবে। এই যুদ্ধকে তিনি একটি "সামান্য অভিযান" (minor excursion) হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা সম্ভবত "আরও কিছুক্ষণ" চলবে।
শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, "আমরা জানতাম তেলের দাম বাড়বে, যা এখন বাড়ছে। তবে এগুলো আবার কমে যাবে। খুব দ্রুতই দাম কমে যাবে। এবং ততক্ষণে আমরা পৃথিবীর বুক থেকে একটি বড় ধরণের ক্যান্সারকে নির্মূল করতে সক্ষম হব।"