শিরোনাম
বিবিসি নিউজ বাংলা
প্রকাশ: ১১:০২, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১১:০২, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত; ১১ দলীয়ে জোটে আসন সমঝোতা নিয়ে সংকট; তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান উত্তেজনায় ইরানে মার্কিন হামলার শঙ্কা এবং দেশের ক্রিকেটারদের আল্টিমেটাম ইস্যু।
দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর— রাতের ভোটে লেনদেন ১০ হাজার কোটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'রাতের বেলায়' ভোট নেওয়ার রহস্য উদঘাটন করতে প্রায় ছয় মাস ধরে পুলিশের সবকটি ইউনিট ও গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করেছে।
পুলিশের এই অভ্যন্তরীণ তদন্তে 'রাতের ভোটের' কারিগরদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি অর্থ লেনদেনের তথ্য জানা গেছে।
রাতের ভোট সম্পন্ন করতে লেনদেন হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।
এসব অর্থের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন ক্যাডারদের পেছনে ব্যয় হয়েছে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। তাদেরকে অর্থ পৌঁছানোর চেইনও ছিল নিখুঁতভাবে সাজানো।
বাকি টাকার একাংশ কয়েকটি খাতে দেওয়ার পর উদ্বৃত্ত অর্থ মেরে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতের ভোট সম্পন্ন করতে নির্বাচনের তিন মাস আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের হাইকমান্ড। এ নিয়ে গণভবনে হয় বৈঠক।
এজন্য একটি বাজেটও ধরা হয়। সেই অর্থ সংগ্রহ করতে শেখ রেহানা, সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক, তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা দেশ ও বিদেশে থাকা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন।
যারা রাতের বেলায় ভোট নেওয়ার কারিগর ও সহায়তাকারী, তাদের একটি তালিকায় পুলিশের নাম সবচেয়ে বেশি।
এই নির্বাচনে নেতাদের নির্দেশে কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট কেটে ফেলা হয়েছিল। পরে ব্যালট পুড়িয়ে আবারও হিসাব করে ভোট ভরা হয় বাক্সে।
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র— বণিক বার্তার প্রধান খবর এটি। এ সংক্রান্ত খবর ঢাকার অন্যান্য পত্রিকাও গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র।
২১ জানুয়ারি থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর থেকে চলমান ব্যাপক অভিবাসীবিরোধী অভিযানের মধ্যেই এলো এই স্থগিতাদেশ।
গত নভেম্বরে হোয়াইট হাউজের কাছে এক আফগান নাগরিকের গুলিতে ন্যাশনাল গার্ডের এক সদস্য নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প 'তৃতীয় বিশ্বের দেশ' থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করার অঙ্গীকার করেছিলেন।
মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজ দাবি করেছে, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি মেমো তাদের হাতে এসেছে।
ওই মেমোতে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইনের আওতায় অভিবাসী ভিসা প্রত্যাখ্যান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ না ভিসা স্ক্রিনিং ও যাচাই পদ্ধতি পুনর্মূল্যায়ন শেষ হয়।
যেসব দেশ এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়েছে বাংলাদেশ ছাড়াও তার মধ্যে রয়েছে সোমালিয়া, রাশিয়া, আফগানিস্তান, ব্রাজিল, ইরান, ইরাক, মিসর, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, ইয়েমেন প্রভৃতি।
সিএনএন জানিয়েছে, এ স্থগিতাদেশ নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, অর্থাৎ শিক্ষার্থী ও পর্যটক ভিসার মতো ক্যাটাগরিগুলো এর বাইরে থাকবে।
সমকালের প্রধান খবর— বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।
এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) 'গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬' প্রকাশ করেছে।
এই প্রতিবেদনে চলতি বছরে 'অপরাধ এবং অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড'কে বাংলাদেশের প্রধানতম ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আগের বছরগুলোতে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট, কর্মসংস্থানের মতো বিষয় বাংলাদেশের জন্য প্রধান ঝুঁকি হিসেবে স্থান পেত।
এবার নির্বাচনের বছরে প্রথমবারের মতো 'অপরাধ' সেই জায়গা নিল।
ডব্লিউইএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের জন্য প্রধান ঝুঁকি হিসেবে উঠে এসেছে ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় প্রধান ঝুঁকি।
গত কয়েক বছরে ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ বা সংঘাত বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ ঝুঁকির তালিকায় ছিল না।
বাংলাদেশের অন্য তিনটি ঝুঁকি হলো মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক নিম্নগতি ও ঋণ।
আসন সমঝোতার আলোচনা থমকে যাচ্ছে বারবার— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম এটি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বিষয়ে বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
সংবাদটিতে বলা হচ্ছে, প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা।
ইসলামী আন্দোলনের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে ।
সমঝোতার ঘোষণা কবে দেওয়া হবে , সেটাও পরিষ্কার করা হয়নি।
এই জটিলতার মধ্যেই নতুন জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও ১১ দলীয় জোটের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে আসন সমঝোতার আলোচনার শুরু থেকেই শতাধিক আসনের প্রত্যাশা করেছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তবে জোটের সিদ্ধান্তে প্রত্যাশার অর্ধেকেরও কম আসন দেওয়ার কথা উঠলে বেঁকে বসে দলটি।
ইসলামী আন্দোলনের দাবি, তাদের ১৪০টির বেশি আসনে 'এ' গ্রেড প্রার্থী রয়েছেন। ফলে অন্তত অর্ধশত আসনের বেশি তাদের সর্বশেষ প্রত্যাশায় ছিল।
প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান খবর— মার্কিন হামলার আশঙ্কা, সতর্ক ইরান।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে দেশটিতে মার্কিন হামলার আশঙ্কা জোরালো হয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ হামলা চালানো হতে পারে বলে গতকাল বুধবার জানিয়েছে একটি সূত্র।
রয়টার্সের বরাতে করা এই খবরে উল্লেখ করা হয়, এমন পরিস্থিতিতে পাল্টা হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
দেশটির সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।
এমন উত্তেজনার মধ্যে ইরানে বিক্ষোভের সময় সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে।
এদিকে, বিক্ষোভের মাত্রা বেশ কমে আসার পর এবার গ্রেফতার করা বিক্ষোভকারীদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তেহরান। বিচার শেষে গতকাল এরফান সোলতানি নামের একজন তরুণ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল বলে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
এই মৃত্যুদণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে গত মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়, তাহলে 'খুব শক্তিশালী পদক্ষেপ' নেবেন তিনি।
নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেটারদের আল্টিমেটাম— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটার মধ্যে তিনি পদত্যাগ না করলে চলমান বিপিএলের ম্যাচসহ সব ধরনের খেলা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন।
গতকাল রাতে ভার্চুয়ালি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
কোয়াব সভাপতি জানান, ক্রিকেটারদের নিয়ে নাজমুলের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বিসিবি পরিচালক নাজমুল সংবাদমাধ্যমকে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নিয়ে খোঁচা দিয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেছিলেন, ক্রিকেটাররা খারাপ খেললে তাদের বেতন বা ফি কাটা হয় না। তাহলে বিশ্বকাপে দল না গেলে ক্রিকেটাররা কেন ক্ষতিপূরণ পাবেন।
ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Individual depositors of NBFCs to get full principal, no interest, after liquidation; অর্থাৎ অবসায়ন বা বন্ধ হতে যাওয়া ব্যাংক বহির্ভূত নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা সুদ ছাড়া মূলধন ফেরত পাবে।
এই খবরে বলা হয়েছে, অবসায়ন বা বন্ধের সিদ্ধান্ত হওয়া ব্যাংকবহির্ভূত ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
এজন্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে এই অর্থ জোগান দেওয়া হবে।
যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো হলো পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), এফএএস ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও প্রিমিয়ার লিজিং।
আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনোয়াগকারীদের ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে, তা থেকে তাদেরকে অর্থ দেওয়া হবে।
কালের কণ্ঠের শেষের পাতার খবর— অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছে ২৯ প্রকল্প, সাশ্রয় ৫,৮৪৭ কোটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের নেওয়া ১২ হাজার ৩২৬ কোটি টাকার ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্প বাতিল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। যেগুলোকে বলা হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সেগুলো নেয়া হয়।
প্রকল্পগুলো বাতিলের ফলে সরকার প্রায় পাঁচ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা সাশ্রয় করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।
যদিও এসব প্রকল্প বাতিলের আগেই ছয় হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে।
বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে।
এমনকি চারটি প্রকল্পে দুই থেকে ৯ বছর সময় পার হলেও কার্যত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
নিউ এইজের দ্বিতীয় প্রধান খবর— WB cuts growth forecast to 4.6pc for FY26; অর্থাৎ চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে চার দশমিক ছয় নির্ধারণ।
এই খবরে বলা হয়েছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ঋণ পরিশোধে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাংলাদশে ব্যবসায় মন্দা চলছে; এ কারণে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার চার দশমিক নয় শতাংশ থেকে কমিয়ে চার দশমিক ছয় শতাংশ নির্ধারণ করেছে বিশ্বব্যাংক।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অনিশ্চিয়তা কমবে, তাই পরের অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস পাঁচ দশমিক সাত শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ছয় দশমিক এক শতাংশ করেছে বৈশ্বিক এই ঋণদাতা সংস্থাটি।