ঢাকা, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

১২ ফাল্গুন ১৪৩২, ০৭ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
রুগ্ন-বন্ধ কারখানা আবার চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে রেকর্ড তুষারপাত: ৫,০০০-এর বেশি ফ্লাইট বাতিল
Scroll
সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ
Scroll
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ: অপহরণের এক ঘণ্টায় স্কুলছাত্র উদ্ধার
Scroll
পোশাক শিল্পের সংকট নিরসনে নীতিগত সহায়তার আশ্বাস গভর্নরের
Scroll
ভারতের ঝাড়খন্ডে এয়ার এম্বুলেন্স দুর্ঘনায় নিহত ৭
Scroll
ইরানের মধ্যাঞ্চলে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৪জন নিহত
Scroll
নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির
Scroll
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল
Scroll
বিএনপি প্রতিহিংসা নয়, বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে : মঈন খান
Scroll
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়টি সংসদে নির্ধারিত হবে: মির্জা ফখরুল
Scroll
ভারতের পোশাক রপ্তানি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গের উদ্যোক্তাদের সাথে ক্রেতাদের বৈঠক
Scroll
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরো ১,২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Scroll
বিএনপি চাইলে থাকব : রাষ্ট্রপতি
Scroll
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: তুষার ঝড়ে বিমান চলাচলে বিভ্রাট, ৬ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন
Scroll
জলবায়ু পরিবর্তনে দ্রুতই কমে যাচ্ছে চারণভূমি
Scroll
ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নেওয়া বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
চট্টগ্রামে ওয়াসার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণ
Scroll
পত্রিকা: ’পুলিশে ব্যাপক রদবদল, প্রশাসনে পরিবর্তন আসন্ন’
Scroll
সংসদের প্রথম অধিবেশনে এবার স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে যেভাবে

জাতীয় সংসদে

প্রথম অধিবেশনে এবার স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে যেভাবে

মুকিমুল আহসান, বিবিসি নিউজ বাংলা

প্রকাশ: ০৯:৩৫, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রথম অধিবেশনে এবার স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে যেভাবে

জাতীয় সংসদ ভবন, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। ছবি: বাসস।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে কার্যকর হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। আগামী ১২ই মার্চ সংসদের অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি। তবে আগের সংসদের স্পিকার পদত্যাগ করেছেন এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব কে করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে বিএনপি জোট।

অন্যদিকে, সংসদীয় টিমের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী-এনসিপি জোট জামায়াত আমির শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা আর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নির্বাচিত করেছেন।

সংবিধান অনুযায়ী, সরকারি ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন আগামী ১২ই মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেই অধিবেশনেই স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবে। ওই অধিবেশনেই ভাষণ দিবে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার কথা।

বিগত সংসদদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অবর্তমানে সংসদ অধিবেশন কিভাবে শুরু হবে বা প্রথম অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন, সেটি নিয়েও নানা আলোচনা দেখা যাচ্ছে।

সংসদ বিষয়ক গবেষক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বর্তমানে বিগত সংসদের স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোন ব্যক্তিকে দিয়ে অধিবেশন শুরু করাতে হবে।

সংসদ অধিবেশন শুরু হবে কীভাবে?

গত ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করার পর এরই মধ্যে সরকার গঠন করেছে বিএনপি।

নির্বাচনের পরদিন গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

বিএনপি সরকারের ঘোঘণা অনুযায়ী, আইনে বেধে দেওয়া সময়ের দুইদিন আগেই ১২ই মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এই সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী পূর্ববর্তী সংসদের স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার কথা।

২০২৪ সালের সাতই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। আর ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন শামসুল হক টুকু।

ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সংসদের স্পিকারের পদত্যাগ ও ডেপুটি স্পিকারের কারান্তরীণ থাকায় সংসদের প্রথম অধিবেশন কিভাবে পরিচালিত হবে সেটি নিয়েও নানা প্রশ্ন সামনে আসছে।

সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন সম্পর্কে বলা আছে, 'কোনো সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ওই সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।'

সংবিধানে আরো বলা আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য ডেপুটি স্পিকার, তার পদও শূন্য হলে বা কোনো কারণে তারা দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য এই দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রথম অধিবেশন পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতি কাউকে মনোনীত করতে পারেন।

আবার সংবিধানে একটি অনুচ্ছেদ বলা আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য হলেও পরবর্তী উত্তরাধিকারী দায়িত্বভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তারা স্বীয় পদে বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন।

সংসদ বিষয়ক গবেষক অধ্যাপক কে এম মহিউদ্দিন বিবিসি বাংলাকে বলেন, "বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিগত সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার দুইজনই অনুপস্থিত। যে কারণে একটা সংসদ অধিবেশন ডাকার পর কী হবে সেটা নিয়ে একটা সংকট আছে। কেননা এটা ব্যতিক্রমী একটা ঘটনা"।

তার মতে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দুইজনের একজনও যদি না থাকে তাহলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোন ব্যক্তি অধিবেশন পরিচালনা করতে পারেন কার্যপ্রণালী বিধির (৫) ধারা অনুযায়ী।

"এটা যদি অনুসরণ করা হয়, তাহলে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে মনোনয়ন আসতে হবে। এক্ষেত্রে হয়তো রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বলবেন হয়তো সেভাবেই হবে", বলছিলেন মি. মহিউদ্দিন"।
শুরুতেই স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন

স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান।

বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ অন্যান্য নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ বাক্য পাঠ করেন। ওইদিন বিকেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগামী মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে। ওই অধিবেশনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হবে।

এক্ষেত্রে সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট কিছু বিধানও রয়েছে বলে জানাচ্ছেন গবেষক ও বিশ্লেষকরা।

অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "বিগত সংসদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তির সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু করাতে হবে। তারপর ওই অধিবেশনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে"।

সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে, কোনো সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করবে।

নিয়ম অনুযায়ী কোনো একজন সংসদ সদস্য স্পিকার হিসাবে কারো নাম প্রস্তাব করে সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে নোটিশ করবেন। অন্য একজন সংসদ সদস্যকে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানাতে হবে। যার নাম প্রস্তাব করা হবে, তিনি স্পিকার হিসাবে দায়িত্ব পালনে সম্মত আছেন, এমন বিবৃতিও নোটিশের সাথে দিতে হবে।

এরপর এটি সংসদ সদস্যদের মধ্যে ভোটাভুটিতে যাবে।

অধ্যাপক কে এম মহিউদ্দিন বলছিলেন, "যদি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে একাধিক প্রার্থী না থাকে তাহলে কণ্ঠভোটের মাধ্যমেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন"।

সাধারণত স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর তার সভাপতিত্বে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়ে থাকে।

নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অধিবেশন মুলতবী ঘোষণা করা হবে। সেই সময়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি। তারা শপথ নেওয়ারই তাদের সভাপতিত্বে শুরু হবে পরবর্তী সংসদের কার্যক্রম।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধানে বলা আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বা পদশূন্য না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের পদে বহাল থাকবে। পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংসদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত তারা আগের পদেই বহাল থাকবে।

নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে পরবর্তী সংসদ অধিবেশন শুরু হলে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথগ্রহণের মাধ্যমে পূর্ববর্তী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যকালের অবসান ঘটবে।

বিদ্যমান সংবিধানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দুটি পদই সরকারি দল থেকে নির্বাচিত হয়। তবে রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংস্কারে যে জুলাই সনদ করা হয়েছে সেখানে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পদ রাখার কথা বলা হয়েছে।
সরকার ও বিরোধী দলীয় হুইপের কাজ কী?

জাতীয় সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদের পর গুরুত্বপূর্ণ দুইটি পদ সরকারি ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ বা হুইপ পদ।

চিফ হুইপ হলেন সংসদে সরকারি দলের মুখপাত্র। চিফ হুইপের সঙ্গে কয়েকজন হুইপও থাকেন। তাদের সবাই সংসদ সদস্যের মধ্যেই নির্বাচিত হয়ে থাকেন। চিফ হুইপ ও হুইপের প্রধান কাজ সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা।

সংসদ বিষয়ক গবেষকরা বলছেন, হুইপের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, নিজ দলের সদস্যদের পার্লামেন্ট বা আইনসভায় নিয়মিত হাজির করার ব্যবস্থা করা, সংসদে কোনো বিল উত্থাপিত হলে দলীয় সব সদস্যরা যেন দলের পক্ষে ভোট দেন তা নিশ্চিত করা কিংবা সদস্যরা কোন বিষয়ের ওপর কতক্ষণ বক্তব্য দেবে তার সময় সীমা নির্ধারণ করা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৭ই ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথ গ্রহণের দিন সরকারি দল মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন।

একই দিন সংসদেই, জামায়াত এনসিপি জোটের সংসদ সদস্যরা শপথ বাক্য পাঠ করেন। পরে বিরোধী জোটের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে বিরোধী দলীয় নেতা, জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে বিরোধী দলীয় উপনেতা ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নির্বাচিত করা হয়।

অধ্যাপক মহিউদ্দিন বলেন, আইন অনুযায়ী- চিফ হুইপ ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পদটি একজন পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদার। এতে বিরোধীদলীয় নেতা একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমান সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হলেও সংসদ উপনেতা কিংবা সরকার দলীয় চিফ হুইপ পদ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন