ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

আ. লীগের মন্ত্রী-উপদেষ্টা-এমপিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত প্রতিবেদন ৯ ফেব্রুয়ারি

বাসস

প্রকাশ: ২০:৪১, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২০:৪৫, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

আ. লীগের মন্ত্রী-উপদেষ্টা-এমপিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের  তদন্ত প্রতিবেদন ৯ ফেব্রুয়ারি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ভবন। ছবি: বাসস।

 

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

প্রসিকিউসনের দুই মাস সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ প্রতিবেদন দাখিলের এই দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউসন পক্ষে আজ প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম শুনানি করেন।

এই মামলায় গ্রেফতার যে ১৬ জনকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় তারা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম, সাবেক এমপি সোলাইমান সেলিম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প-বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তবে এই মামলায় গ্রেফতার অপর আসামি সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান চিকিৎসাধীন থাকায় তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গত ১৭ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এই ৪৫ আসামির মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে চলা অন্য মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হওয়ায় তাদের বিষয়ে অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, তার দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। এসব অপরাধের বিচার এখন অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন