ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
হোস্টিং.কম বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করল
Scroll
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ অনুমোদন
Scroll
বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে চীনা বিশ্ববিদ্যালয় বেশ ভাল করছে, পিছিয়ে পড়ছে মার্কিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
Scroll
নির্বাচন ভোটারবান্ধব ও সহজ করতে ইসিকে আহ্বান জানানো হয়েছে
Scroll
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে সবুজ শিল্পায়ন সম্ভব: শিক্ষা উপদেষ্টা
Scroll
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়ানোর আপিল শুনানি ২০ জানুয়ারি
Scroll
গণভোট নিয়ে সপ্তাহব্যাপী প্রচারণা : জেলায় জেলায় যাচ্ছেন উপদেষ্টারা
Scroll
জাপানে মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদে থাকলে ভাষা শিখতে হবে
Scroll
দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
Scroll
হাওর ও জলাভূমি রক্ষায় নতুন অধ্যাদেশ জারি: অবৈধ দখলে ২ বছরের জেল
Scroll
পত্রিকা: ’রাতের ভোটে লেনদেন ১০ হাজার কোটি’
Scroll
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসার কাজ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী আছে চট্টগ্রামে
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা
Scroll
আইন না থাকার কারণেই কি কমছে নারী প্রার্থীর সংখ্যা?
Scroll
জাপানে উচ্চ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অফুরন্ত: জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
Scroll
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও সমমনা জোট নেতাদের সাক্ষাৎ
Scroll
রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ
Scroll
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা
Scroll
বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়ানোর আপিল শুনানি ২০ জানুয়ারি

বাসস

প্রকাশ: ১৮:০৪, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়ানোর আপিল শুনানি ২০ জানুয়ারি

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। কোলাজ : বাসস


চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের মধ্যে যে একটি অভিযোগে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে করা আপিলের শুনানি আগামী ২০ জানুয়ারি।

প্রসিকিউসনের আবেদনে আজ বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আগামী ২০ জানুয়ারি আপিলটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। আদালতে প্রসিকিউসন পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এই আপিলটি করার পর গত ১৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে দুটি অভিযোগে সাজা দেওয়া হয়। একটি আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেকটি মৃত্যুদণ্ড। আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা বাড়িয়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা হয়েছে। আপিলে আটটি গ্রাউন্ড (যুক্তি) আনা হয়েছে।

চব্বিশের জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। গত ১৭ নভেম্বর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন।

এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে প্রসিকিউটর বি. এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্য প্রসিকিউটরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ। এছাড়া রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন এটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

ঐতিহাসিক এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পিতাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সর্বমোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

এক পর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে (এপ্রুভার) রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দমনে আওয়ামী লীগ সরকার, তাদের দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। এখন দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সে সব অভিযোগের বিচার চলছে।
 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন