ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
পত্রিকা: ’রাতের ভোটে লেনদেন ১০ হাজার কোটি’
Scroll
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসার কাজ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী আছে চট্টগ্রামে
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা
Scroll
আইন না থাকার কারণেই কি কমছে নারী প্রার্থীর সংখ্যা?
Scroll
জাপানে উচ্চ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অফুরন্ত: জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
Scroll
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও সমমনা জোট নেতাদের সাক্ষাৎ
Scroll
রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ
Scroll
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা
Scroll
বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক
Scroll
মনোনয়ন গ্রহণ, বাতিল: ইসিতে পঞ্চম দিনে আরো ৭৩ আপিল মঞ্জুর
Scroll
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ
Scroll
দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিএনসিসি ক্যাডেটদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সেনা প্রধান
Scroll
শুল্ক বাধা সত্ত্বেও চীনের রেকর্ড ১ ট্রিলিয়ন ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত
Scroll
স্বর্ণের দামে আবারও নতুন রেকর্ড, রুপার দাম ৯০ ডলারে পৌঁছেছে
Scroll
থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ায় ২২ জনের প্রাণহানি, আহত ৩০
Scroll
নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারিতেই হবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
শিপিং কর্পোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরে রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স বিধিমালা জারি করেছে এনবিআর
Scroll
নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবেলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

মালামাল পরিবহনে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়াতে হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১:৩৩, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২১:৩৭, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

মালামাল পরিবহনে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়াতে হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

আজ ঢাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আয়োজনে সড়ক ভবন মিলনায়তনে এক অংশীজন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। বাসস।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, মালামাল পরিবহনে সড়কের বিকল্প হিসেবে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক স্বার্থে সড়ককে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সস্তা রেল ও নদী পথকে উপেক্ষা করেছি। আমাদের রেল ও নদী পথকে ঢেলে সাজাতে হবে। মালামাল পরিবহনে সড়ক পথের বিকল্প হিসেবে রেল ও নদী পথের অধিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, খবর বাসসের। 

জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ ঢাকায় একটি অংশীজন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আয়োজনে সড়ক ভবন মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সমন্বিত ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। মালামাল পরিবহনে রেল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারলে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং পরিবেশের ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, পরিবহন খাতে সমন্বয়ের অভাবে কৃষি ও পরিবেশসহ অন্যান্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ক্ষতি এড়াতে সরকার সমন্বিত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। 

তিনি বলেন, ন্যাচারাল হাইওয়ে বাধাগ্রস্ত না করা, একক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং তথ্য-উপাত্তনির্ভর পরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বন্দর ও টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ সংগঠন এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। 

উপস্থাপনায় মাস্টার প্ল্যানের বেসলাইন অ্যাসেসমেন্ট স্টাডি ও কৌশলগত রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়, যেখানে সড়কের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা, যানজট, নিরাপত্তা ঝুঁকি, উচ্চ লজিস্টিক ব্যয় এবং রেল ও নৌপথের অপর্যাপ্ত ব্যবহারের মতো চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা হয়।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার, করিডোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ, লাস্ট-মাইল সংযোগ, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সেমিনারের শেষে সিদ্ধান্ত হয়, অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশসমূহ মাস্টার প্ল্যানের পরিমার্জনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যা একটি পূর্ণাঙ্গ, সমন্বিত ও বাস্তবায়নযোগ্য জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে সহায়ক হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন