ঢাকা, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

১৭ ফাল্গুন ১৪৩২, ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে: মির্জা ফখরুল
Scroll
ইরানের পরিস্থিতিতে স্থগিত ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণে সরকারের নজরদারি
Scroll
মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছুদের সহায়তায় মন্ত্রণালয়ের হটলাইন চালু
Scroll
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Scroll
শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Scroll
খামেনির মৃত্যু: করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ, গুলিতে নিহত ৯
Scroll
ইরানে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাল বাংলাদেশ
Scroll
ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালকে ৫শ’ বেডে উন্নীত করা হবে : মির্জা ফখরুল
Scroll
রমজানের পরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন : ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ
Scroll
দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা নেয়ার মাত্র ১৩ দিনেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি
Scroll
প্রধানমন্ত্রী ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মাঝেও বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন
Scroll
মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক শেয়ার বাজারে দরপতন, তেলের দাম বাড়তি
Scroll
সব পক্ষকে ‘যৌক্তিক আচরণের’ আহ্বান জাতিসংঘের
Scroll
জাহাজ কোম্পানি তাদের জাহাজ পারস্য উপসাগর থেকে দূরে থাকতে নির্দেশ
Scroll
জেদ্দা-রিয়াদ-মাস্কাটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চলবে আজ থেকে
Scroll
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের স্কুলে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৮
Scroll
ইরানের মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে পাল্টাহামলা
Scroll
পত্রিকা: ’জ্বালানিতে বড় সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ’
Scroll
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন
Scroll
মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছে, অধিকাংশ ফ্লাইট বাতিল

মালামাল পরিবহনে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়াতে হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১:৩৩, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২১:৩৭, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

মালামাল পরিবহনে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়াতে হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

আজ ঢাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আয়োজনে সড়ক ভবন মিলনায়তনে এক অংশীজন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। বাসস।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, মালামাল পরিবহনে সড়কের বিকল্প হিসেবে রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক স্বার্থে সড়ককে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সস্তা রেল ও নদী পথকে উপেক্ষা করেছি। আমাদের রেল ও নদী পথকে ঢেলে সাজাতে হবে। মালামাল পরিবহনে সড়ক পথের বিকল্প হিসেবে রেল ও নদী পথের অধিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, খবর বাসসের। 

জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ ঢাকায় একটি অংশীজন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আয়োজনে সড়ক ভবন মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সমন্বিত ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। মালামাল পরিবহনে রেল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারলে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং পরিবেশের ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, পরিবহন খাতে সমন্বয়ের অভাবে কৃষি ও পরিবেশসহ অন্যান্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ক্ষতি এড়াতে সরকার সমন্বিত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। 

তিনি বলেন, ন্যাচারাল হাইওয়ে বাধাগ্রস্ত না করা, একক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং তথ্য-উপাত্তনির্ভর পরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বন্দর ও টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ সংগঠন এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। 

উপস্থাপনায় মাস্টার প্ল্যানের বেসলাইন অ্যাসেসমেন্ট স্টাডি ও কৌশলগত রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়, যেখানে সড়কের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা, যানজট, নিরাপত্তা ঝুঁকি, উচ্চ লজিস্টিক ব্যয় এবং রেল ও নৌপথের অপর্যাপ্ত ব্যবহারের মতো চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা হয়।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার, করিডোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ, লাস্ট-মাইল সংযোগ, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সেমিনারের শেষে সিদ্ধান্ত হয়, অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশসমূহ মাস্টার প্ল্যানের পরিমার্জনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যা একটি পূর্ণাঙ্গ, সমন্বিত ও বাস্তবায়নযোগ্য জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে সহায়ক হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন