ঢাকা, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, ১১ মুহররম ১৪৪৮

সুদানের দারফুর

বিয়ের অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩০ জন নিহত

ডেকান ক্রনিকল-এর সৌজন্যে

প্রকাশ: ০৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৯:৫৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বিয়ের অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩০ জন নিহত

প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।

সুদানের দারফুর অঞ্চলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এক ব্রিফিংয়ে জানান, উত্তর দারফুরের কুতুম শহরে এই বিয়ের অনুষ্ঠানটি চলছিল। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলমান সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যকার ভয়াবহ ড্রোন যুদ্ধের এটি সর্বশেষ ঘটনা। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সুদানে প্রায় তিন বছরের এই যুদ্ধে ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যদিও বিভিন্ন সহায়তা সংস্থাগুলোর মতে প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।

স্থানীয় মানবাধিকার গোষ্ঠী ইমার্জেন্সি লয়ার্স এবং এল-ফাশেরের প্রতিরোধ কমিটি বুধবারের এই হামলার জন্য সুদান সশস্ত্র বাহিনীকে দায়ী করেছে। দুজারিক এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনার ওপর ড্রোন হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইমার্জেন্সি লয়ার্স এর আগে জানিয়েছিল, মার্চ মাস থেকে দক্ষিণ কর্ডোফান, ব্লু নীল এবং দারফুরের বিভিন্ন প্রদেশে দুই পক্ষের ক্রমাগত ড্রোন হামলার ফলে প্রচুর মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। গত সপ্তাহেও দেশটির দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলীয় একটি হাসপাতালে ড্রোন হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছিলেন। ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানিয়েছিল, হোয়াইট নীল প্রদেশের আল-জাবালইন হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার এবং মেটারনিটি ওয়ার্ডে আরএসএফ দুটি ড্রোন হামলা চালায়। এমএসএফ-এর জরুরি বিভাগের প্রধান এসপেরানজা সান্তোস এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, চিকিৎসা কেন্দ্র, কর্মী এবং রোগীদের সুরক্ষা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্লেষক ও ত্রাণকর্মীরা আগে থেকেই সতর্ক করে আসছিলেন যে, কর্ডোফান অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ড্রোন হামলা বেসামরিক জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করছে এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন