ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত

বিএসএফ সীমান্ত নদীতে সাপ, কুমির ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে

‘সরীসৃপ মোতায়েন করা বাস্তবসম্মত নয়’

আসাম ট্রিবিউন

প্রকাশ: ১৭:৪৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৬

বিএসএফ সীমান্ত নদীতে সাপ, কুমির ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে

প্রতীকি ছবি। এঁকেছে জেমিনাই।

ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত অপরাধ রোধে ‘ঝুঁকিপূর্ ‘ নদীপথগুলোতে কুমির ও সাপ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বাহিনীর সদর দপ্তরে এক বৈঠকে এই পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তাদের সূত্রে সোমবার জানা গেছে যে, এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের বিভিন্ন ফিল্ড ইউনিটকে তাদের মতামত জানাতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘন জঙ্গল এবং নদীপথের মতো দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই সীমান্তের প্রায় ৮৫৬ কিলোমিটার এলাকা এখনও কাঁটাতারবিহীন রয়ে গেছে।

বিএসএফ প্রস্তাব করেছে যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে "অপারেশনাল" সাফল্য পেতে ঝুঁকিপূর্ণ নদীপথের ফাঁকগুলোতে সাপ ও কুমিরের মতো সরীসৃপ মোতায়েনের "সম্ভাব্যতা" অন্বেষণ করা উচিত।

তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকজন ফিল্ড কমান্ডার উল্লেখ করেছেন যে নদী এলাকায় সরীসৃপ মোতায়েন করা বাস্তবসম্মত নয়। তারা জানিয়েছেন যে, অনেক সীমান্ত এলাকায় জনবসতি রয়েছে এবং বন্যার সময় এই প্রাণীদের উপস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

বিএসএফ-এর একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, "বিএসএফ মহাপরিচালক প্রবীণ কুমারের সভাপতিত্বে ফেব্রুয়ারির বৈঠকে এই ধারণাটি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল পরিকল্পনাটি কতটা বাস্তবায়নযোগ্য তা খতিয়ে দেখা। বাহিনী বর্তমানে ফিল্ড কমান্ডারদের পাঠানো প্রতিক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছে।" দ্বিতীয় একজন কর্মকর্তা জানান, এই সীমান্তকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত করতে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং নজরদারি গ্যাজেট মোতায়েনের আরও বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত প্রতিবেশী দেশ থেকে অনুপ্রবেশের পাশাপাশি মানবপাচার এবং মাদক, জাল ভারতীয় মুদ্রা ও অস্ত্র-গোলাবারুদ পাচারের মতো বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন