ঢাকা, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

২১ মাঘ ১৪৩২, ১৫ শা'বান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
ট্রাম্প ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন বিলে স্বাক্ষর, সরকারি অচলাবস্থার অবসান
Scroll
উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব কোথায়?
Scroll
ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে
Scroll
ঢাকায় ভূমিকম্প অনুভূত
Scroll
নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা: তারেক রহমান
Scroll
শিক্ষা আইনের খসড়া: কোচিং সেন্টার ও নোট-গাইড বন্ধে কঠোর বিধান
Scroll
আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট
Scroll
নাম পরিবর্তন: র‌্যাব হচ্ছে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স, বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
Scroll
মানবজাতির সংযম ও সৌহার্দ্য অর্জনে নিবেদিত রাখার আহ্বান তারেক রহমানের
Scroll
সাভার-আশুলিয়াবাসীকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করতে চাই: এনসিপি প্রার্থী দিলশানা পারুল
Scroll
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষতার প্রশ্নে বিন্দুমাত্র শৈথিল্য নয়
Scroll
হামলার হুমকির মধ্যেই তুরস্কে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
Scroll
কৃত্রিম ফুসফুসের চিকিৎসা ব্যবহার নিয়ে উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: গবেষণা
Scroll
ট্রাম্প-মোদি সমঝোতা: রাশিয়ান তেল বর্জন এবং শুল্ক হ্রাস
Scroll
শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
Scroll
অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম হয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা
Scroll
আচরণবিধি ভঙ্গের ১৭৬ মামলায় ১৮ লাখ টাকা জরিমানা
Scroll
তরুণ ভোটারদের সঙ্গে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের চায়ের আড্ডা
Scroll
বিএনপি সরকার গঠন করলে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: তারেক রহমান
Scroll
ঢাকা মহানগর ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

পত্রিকা: ’গণভোটের রায় যাই হোক সংসদেরই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব থাকবে’

বিবিসি নিউজ বাংলা

প্রকাশ: ০৯:৪৪, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পত্রিকা: ’গণভোটের রায় যাই হোক সংসদেরই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব থাকবে’

প্রতীকি ছবি: বিবিসি নিউজ বাংলার সৌজন্যে।


বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের প্রধান খবর - গণভোটের রায় যাই হোক সংসদেরই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব থাকবে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১১ সালে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়। তবে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর আদালত ওই ধারা বাতিল ঘোষণা করে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনার রায় দেন। কিন্তু এই রায়ের ফলে গণভোটের বিধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে আইনগত প্রশ্ন রয়ে গেছে।

জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বাতিল হওয়া আইন পুনরায় কার্যকর করতে হলে তা সংসদে পাস করানো প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে গণভোটের বিধান সংসদে উপস্থাপন করে পাস করানোর সুপারিশও করা হয়েছে।

আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আদালত কোনো আইন বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন, তবে নতুন করে তা কার্যকর করতে হলে সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন। ফলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদের মাধ্যমেই গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করতে হবে। এ কারণে তারা মনে করেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব নির্বাচিত জাতীয় সংসদের হাতেই থাকবে।
 

মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর- ছাব্বিশের নির্বাচনে যা কিছু নতুন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ১১ দিন বাকি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে এবার দেখা যাচ্ছে নানা ব্যতিক্রম ও নতুনত্ব। প্রচারণায় ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার বেড়েছে, চালু হয়েছে নির্বাচনী বাস, টেলিভিশন সংলাপ এবং পোস্টারবিহীন প্রচার। প্রথমবারের মতো একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি 'পোস্টাল ভোট বিডি' অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরাও ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এই নির্বাচন হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে, যা ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত হয়। দীর্ঘদিন পর সব বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে তুলনামূলক মুক্ত পরিবেশে ভোট হলেও, দল হিসেবে নিবন্ধন না থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তারেক রহমান। এবারের নির্বাচনে জোটভুক্ত দলগুলোকে নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হচ্ছে, বন্ধ করা হয়েছে ইভিএমের ব্যবহার, যা স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে প্রচারে ডিজিটাল মাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তবে সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, বহু বছর পর এই নির্বাচন একটি 'ভিত্তি নির্বাচন', যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পথে ফেরার সুযোগ তৈরি করেছে। তার মতে, নানা সংস্কারের আলোকে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে অতীতের মতো জালিয়াতির আশঙ্কা কম।
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর - বিএনপি ছাড়া দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা কোনো দলের নেই।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালে লাখো শহীদ জীবন দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বহু মানুষ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য। এখন আমাদের সেই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, 'এই মুহূর্তে বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেই দলের অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে দেশকে সুন্দরভাবে সামনের দিকে পরিচালিত করতে হয়। অন্য যেসব দল আছে দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা তাদের নেই।'

গতকাল শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়ায় বিসিক শিল্প পার্কের ভেতরে জেলা বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী এম আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম, পাবনা-১ আসনের প্রার্থী শামসুর রহমান, পাবনা-২ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৫ আসনের প্রার্থী শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের প্রধান খবর - Islamic parties continue to weaponise religion অর্থাৎ ধর্মকে পুঁজি করেই চলছে ইসলামিক দলগুলো।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দল ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন নির্বাচনী সমাবেশে এসব দলের নেতারা ভোট দেওয়াকে ধর্মীয় দায়িত্ব হিসেবে তুলে ধরছেন এবং তাদের পক্ষে ভোট দিলে পরকালে মুক্তি ও জান্নাত লাভ হবে- এমন বক্তব্য দিচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইসলামের বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।

সমালোচকদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন হলেও নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ধর্ম ব্যবহার করে প্রচারণার অভিযোগ কমিশনে আসছে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে প্রতিটি আসনে নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচার কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনী আচরণবিধি ২০২৫-এর ১৬ নম্বর বিধিতে ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতিকে ভোটের স্বার্থে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ নম্বর বিধিতে অশালীন ও উসকানিমূলক বক্তব্য এবং লিঙ্গ মর্যাদা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে - এমন ভাষা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
প্রথম আলো পত্রিকার আজকের খবর - ৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা।

সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯টি আসনে বিএনপির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দলটির নেতারা স্বতন্ত্র বা 'বিদ্রোহী' প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এর মধ্যে অন্তত ৪৬টি আসনে শক্ত অবস্থানে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা। তাঁদের কারণে ভোটের মাঠে বাড়তি চাপে পড়েছেন বিএনপির ধানের শীষ বা সমঝোতার প্রার্থীরা।

স্থানীয় নেতা-কর্মী ও ভোটাররা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে অনেক আসনে বিদ্রোহীদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি অনেক আসনে বিএনপির ভোট কাটাকাটির কারণে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির দলীয় প্রার্থী আছেন ২৯১টি আসনে। যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সমমনা দলগুলোকে আটটি আসনে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। এখানে বিএনপি–সমর্থিত অন্য দলের প্রার্থী আছেন। আর একটি আসনে (কুমিল্লা-৪) প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় বিএনপির দলীয় প্রার্থী নেই।

শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে বিএনপি অনেকের সঙ্গে আলোচনা করে। আবার অনেকের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। অনেকে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের অনুরোধে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। তবে শেষ পর্যন্ত ৭৯টি আসনে অন্তত ৯২ জন বিএনপির নেতা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। কোনো কোনো আসনে বিএনপির একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন। আবার কোথাও কোথাও এক ব্যক্তি একাধিক আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সমকাল পত্রিকার আজকের খবর- জামায়াতের সহযোগিতা না পেয়ে নাখোশ শরিকরা।

ভোটের মাঠে জামায়াতে ইসলামীর 'পূর্ণ সমর্থন' না পেয়ে নাখোশ ১১ দলের শরিকরা। এ দলগুলোর মধ্যে অভিযোগ, ছেড়ে দেওয়া চারটি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা থেকে যাওয়ায় শরিকরা নির্বাচন থেকে প্রায় ছিটকে গেছেন। 'আর্থিক সহযোগিতা' না পাওয়ায় এনসিপির অধিকাংশ প্রার্থী ভোটের মাঠে হাবুডুবু খাচ্ছেন। আবার আসন ছাড়লেও প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের তুলনায় জামায়াত নেতাকর্মীরা না নামায় শরিকদের প্রার্থীরা প্রচারে পিছিয়ে রয়েছেন।

এ দলগুলোর ভাষ্য, জোট গঠনের সময় জামায়াত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, শরিকদের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর সমান সহযোগিতা দেওয়া হবে। এই শর্তে জোট হলেও মাঠে তা পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও জামায়াত এই অভিযোগ নাকচ করেছে। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবদুল হালিম সমকালকে বলেছেন, শরিকদের সাধ্য অনুযায়ী সহায়তা করা হচ্ছে। নেতাকর্মীরা শরিক প্রার্থীদের পক্ষে রয়েছেন।

তবে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য সমকালকে বলেছেন, মূল অভিযোগ আর্থিক সহযোগিতা না করা। অন্য দলের প্রার্থীরা টাকা চেয়ে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু জামায়াতকে দলীয় প্রার্থীদের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই চাইলেও সহযোগিতা করা যাচ্ছে না।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর - ভোটের প্রচারণা তুঙ্গে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি আর মাত্র ১১ দিন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারের সময় শেষ হবে তার দুই দিন আগেই। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার আগেই প্রচার শেষ করতে হবে। সে হিসাবে প্রচারের সময় মাত্র আর ৯ দিন। সে কারণে বিরামহীন প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। একই সঙ্গে তাঁদের সামাল দিতে হচ্ছে নিজ ও প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা।

দলের নেতারাও সর্বশক্তি দিয়ে নানা কৌশলে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল শনিবার উত্তরবঙ্গ সফর শেষে ঢাকা ফিরেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও গত শুক্রবার ফেনীতে জনসভার মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে নির্বাচনী সফর শুরু করেছেন। গতকাল কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জনসভা করেন তিনি। এর আগে প্রচার শুরুর প্রথম দিন নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার আজকের প্রধান খবর - আমদানির কলে বিকল কারখানা।

দেশের ইউরিয়া সার কারখানাগুলোয় নিয়মিত উৎপাদন চালু থাকলে সারা বছরের চাহিদা মেটানো সম্ভব। অথচ গ্যাসসংকটের অজুহাতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচটি কারখানার চারটিই বছরের ৮ থেকে ১০ মাস বন্ধ রাখা হচ্ছে; আর এই অবস্থা চলছে বছরের পর বছর।

ফলে চাহিদার দুই-তৃতীয়াংশ পূরণ করতে হচ্ছে আমদানির মাধ্যমে। এতে শুধু ইউরিয়ার পেছনে বছরে তিন হাজার কোটি টাকা বা তারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে সরকারের।

অন্যদিকে বন্ধ থাকার কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা কমছে। শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ১৭ বছর ধরে নিজস্ব কারখানাগুলো বসিয়ে রেখে আমদানি-নির্ভরতা বাড়িয়েছে বিগত সরকারগুলো। এতে বছরে ২৬ লাখ টন ইউরিয়া সারের চাহিদার বিপরীতে ৮ থেকে ১১ লাখ টনের বেশি উৎপাদন করতে পারছে না কারখানাগুলো।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের খবর- Strike over DP World deal cripples Ctg port ডিপি ওয়ার্ল্ড চুক্তির প্রতিবাদে অচল চট্টগ্রাম বন্দর।

নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনার প্রতিবাদে গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

সরকার ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) বর্তমানে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে।

বন্দরের শ্রমিক সংগঠনগুলো বৃহস্পতিবার থেকে নতুন করে আন্দোলন শুরু করে এবং গতকাল আট ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করে।

গতকাল বিকেলে সিপিএ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া চার কর্মীকে কেরানীগঞ্জের পাঙ্গাঁও ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনালে বদলি করে। তাদের আজকের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

বদলি হওয়া চার কর্মী হলেন— হুমায়ুন কবির (অডিট সহকারী ও চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক), মো. ইব্রাহিম খোকন (ইঞ্জিন চালক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক), মো. আনোয়ারুল আজিম (সিনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট) এবং মো. ফারিদুর রহমান (প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী)।

তবে হুমায়ুন কবির দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, তারা নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন না এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন