ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২:৪৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাজাখস্তান, নাইজেরিয়া, আলজেরিয়া এবং ভেনিজুয়েলাকে নিয়ে গঠিত ওপেক প্লাস-এর যৌথ মন্ত্রী পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ কমিটি (JMMC) রবিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাদের ৬৫তম সভায় মিলিত হয়, খবর সউদি গেজেটের।
জেএমএমসি সভায় বর্তমান বাজারের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় 'সহযোগিতা ঘোষণার' (DoC) অপরিহার্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে, কমিটি জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথগুলোর সুরক্ষা প্রদানের গুরুত্ব তুলে ধরে।
জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার বিষয়ে সভাটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এতে উল্লেখ করা হয় যে, ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি সম্পদ পূর্ণ ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার, যা সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। সেই অনুযায়ী, কমিটি জোর দিয়ে বলেছে যে—অবকাঠামোতে হামলা বা সমুদ্রপথ বাধাগ্রস্ত করার মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষতি করার যেকোনো পদক্ষেপ বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়ে দেয়। এটি উৎপাদক, ভোক্তা এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্বার্থে বাজার স্থিতিশীল রাখার যে যৌথ প্রচেষ্টা চলছে, তাকে দুর্বল করে দেয়।
এ বিষয়ে কমিটি সেই দেশগুলোর প্রশংসা করেছে যারা বিকল্প রপ্তানি পথ ব্যবহারের মাধ্যমে সরবরাহ অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে, যা বাজারের অস্থিরতা কমাতে সহায়ক হয়েছে।
জেএমএমসি বাজারের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা চালিয়ে যাবে। ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ৩৮তম ওএনওএমএম-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কমিটি প্রয়োজনে অতিরিক্ত সভা ডাকার বা ওপেকের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের অনুরোধ জানানোর ক্ষমতা রাখে। কমিটির পরবর্তী সভা ২০২৬ সালের ৭ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।