শিরোনাম
ডেকান ক্রনিকল-এর সৌজন্যে
প্রকাশ: ১৬:২২, ১৩ মার্চ ২০২৬
রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্যারিসে পৌঁছেছেন। বাসস।
রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্যারিসে পৌঁছেছেন। তার মুখপাত্র সের্গেই নাইকিফোরভ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে এই বৈঠকে রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে।
এই সফরটি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যকার শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে। মূলত ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধের কারণে এই প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুদ্ধের শুরু থেকে এটি ফ্রান্সে জেলেনস্কির ১২তম সফর। দুই নেতা দুপুরে বৈঠকে বসবেন এবং এরপর একটি সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে।
এদিকে ক্রেমলিন এই বৈঠকের সমালোচনা করে বলেছে, রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের চিন্তা করাটাই হাস্যকর এবং এটি শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবে। ফ্রান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার 'শ্যাডো ফ্লিট' বা ছায়া ট্যাঙ্কার বহরের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে, যা রাশিয়া তাদের তেল রপ্তানি সচল রাখতে ব্যবহার করছে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি। ইতিমধ্যে ভারত পর্যন্ত রুশ তেল পৌঁছানোর সুবিধার্থে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে।
প্যারিস সফরের আগে জেলেনস্কি রোমানিয়া সফর করেন, যেখানে ড্রোন তৈরির যৌথ প্রকল্পের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হাঙ্গেরি ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দকৃত ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ এবং রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব আটকে দিয়েছে। হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার অভিযোগ যে, ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে দ্রুজবা পাইপলাইন সচল করতে দেরি করছে। ইউক্রেন অবশ্য দাবি করেছে যে রুশ হামলায় পাইপলাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি মেরামত করতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।