ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

২ চৈত্র ১৪৩২, ২৬ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
দিনাজপুরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
Scroll
কেন প্রাণঘাতী ইরানী ড্রোন থামানো যাচ্ছে না?
Scroll
দেশের ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি নদী ও খাল খনন করা হবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
Scroll
আইসিটি খাতে দশ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
Scroll
দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
Scroll
’ওয়ান ব্যাটেল আফটার অ্যানাদার’ সেরা চলচ্চিত্রসহ ছয়টি অস্কার জিতেছে
Scroll
প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়
Scroll
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে চীনের সহায়তা চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
Scroll
দুবাই বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ
Scroll
ওডিশার কটক শহরে এসসিবি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু
Scroll
আজ মধ্যপ্রাচ্যে ৪৮ ফ্লাইট এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের
Scroll
ইরান কোনো ’যুদ্ধবিরতি’র আবেদন করছে না: আব্বাস আরাগচি
Scroll
সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিতে রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
Scroll
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
Scroll
২টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান
Scroll
ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণার নতুন নীতিমালা
Scroll
খুলনায় অস্ত্র, গোলাবারুদসহ সন্ত্রাসী খবির মোল্লা গ্রুপের ৭জন সদস্য আটক
Scroll
পার্বত্য চট্টগ্রামে জীববৈচিত্র্য, বিভিন্ন বনজ সম্পদ বিলুপির পথে
Scroll
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উপকারভোগীর তালিকা পর্যালোচনা করা হবে: ফারজানা শারমীন
Scroll
শিক্ষামন্ত্রী জানালেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করছে সরকার

ড. রাশেদ তিতুমীর বললেন

তেলের অর্থায়ন নিশ্চিত করা ও রাজস্ব বাড়ানো সরকারের অগ্রাধিকার

বাসস

প্রকাশ: ১২:১৩, ১৬ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১২:১৫, ১৬ মার্চ ২০২৬

তেলের অর্থায়ন নিশ্চিত করা ও রাজস্ব বাড়ানো সরকারের অগ্রাধিকার

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ফাইল ছবি: বাসস

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, জ্বালানি তেল আমদানির অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং রাজস্ব খাতে জরুরি কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর আহরণ বাড়ানো বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. তিতুমীর জানান, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার একটি সমন্বিত কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা আনা এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানো।

তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি। যেকোনো মূল্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার একটি কৌশলগত ঋণ কাঠামো ব্যবহার করছে বলে জানান তিনি। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ড. তিতুমীর বলেন, জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছ থেকে স্বল্পসুদে অর্থায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এগুলো হলো—আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং বিশ্বব্যাংক।

তিনি বলেন, সরকারের ঋণ গ্রহণ কৌশল এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে সর্বনিম্ন সুদে অর্থায়ন নিশ্চিত করা যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে ঋণের স্থায়িত্ব বজায় থাকে। সবচেয়ে অনুকূল শর্তে ঋণদাতাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

সরকার আন্তর্জাতিক ঋণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ব্যয়সংকোচনের দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে ড. তিতুমীর বলেন, ব্যয়ের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনা, বিভিন্ন খাতে বাজেট কমিয়ে জ্বালানি তেল ক্রয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সামগ্রিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, এ ধরনের অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠন জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং একই সঙ্গে সরকারের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রসঙ্গে ড. তিতুমীর বলেন, এসব কর্মসূচিকে রাজনীতিমুক্ত করার দিকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। রাষ্ট্রের সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে—এটি নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডে কোনো রাজনীতিকরণ করা হয়নি। কৃষক কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রেও রাজনীতিকরণ করা হবে না। যে যোগ্য, সেই কৃষক কার্ড পাবেন। আগে এসব ক্ষেত্রে রাজনীতিকরণ করা হতো।

দেশের রাজস্ব আহরণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত পরিসংখ্যানগতভাবে খুবই দুর্বল এবং এটি বিশ্বে অন্যতম নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তিনি এটিকে একটি কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেন, যা সরকারের বৃহৎ পরিসরে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতাকে সীমিত করে।

তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় জনসেবা প্রদানের জন্য কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

 

 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন