শিরোনাম
বাসস
প্রকাশ: ২০:৪৯, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি; বাসস।
২০২৬ সালের হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীরা টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো সময়মতো সম্পন্ন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের যেসব পরীক্ষা করাতে হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইউরিন আর/এম/ই, র্যান্ডম ব্লাড সুগার (আরবিএস), এক্স-রে চেস্ট (পি/এ ভিউ) রিপোর্টসহ, ইসিজি রিপোর্টসহ, সিরাম ক্রিয়েটিনিন, কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি উইথ ইএসআর) এবং ব্লাড গ্রুপিং ও আরএইচ টাইপিং।
এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) নির্ণয়ের জন্য অতিরিক্ত কিছু পরীক্ষা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, হৃদযন্ত্রের অকৃতকার্যতার সন্দেহ হলে ইকোকার্ডিওগ্রাফি, কিডনি জটিলতায় এস ক্রিয়েটিনিন ও ইউএসজি অব কিইউবি, লিভার সিরোসিসের সন্দেহে ইউএসজি হোল অ্যাবডোমেন ও আপার জিআইটি এন্ডোস্কপি এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ শনাক্তে স্পুটাম ফর এএফবি, সিটি স্ক্যান অব চেস্ট, সিরাম বিলিরুবিন, এসজিপিটি ও অ্যালবুমিন গ্লোবিউলিন রেশিও পরীক্ষা।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণ করতে হবে। টিকা সম্পন্ন হওয়ার পর হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সনদ প্রদান করা হবে।
হজসংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আগামী ১৮ এপ্রিল।
এক্ষেত্রে হজ এজেন্সি এবং এয়ারলাইন্সগুলোকে সৌদি সরকারের নির্দেশনা এবং ‘হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন, ২০২৬’ এর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
আজ রোববার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি হজ এজেন্সি মালিক এবং হজযাত্রী পরিবহনকারী তিনটি এয়ারলাইন্সের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, হিজরি ১৪৪৭/২০২৬ সালের হজযাত্রীদের হজ ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এক সার্ভিস কোম্পানির হজযাত্রী একই ফ্লাইটে সৌদি আরবে পাঠাতে হবে। এছাড়া ‘হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন, ২০২৬’ অনুযায়ী প্রত্যেক এজেন্সির মোট হজযাত্রীর কমপক্ষে ২০ শতাংশ প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী পর্যায়ে এবং প্রথম ও শেষ পর্যায়ে ৩০-৫০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে।
তবে কোনো এজেন্সির অনুকূলে প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করা যাবে না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায়, এক সার্ভিস কোম্পানির হজযাত্রী একই ফ্লাইটে সৌদি আরবে পাঠানো এবং প্রত্যেক এজেন্সির মোট হজযাত্রীর কমপক্ষে ২০ শতাংশ প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে এবং প্রথম ও শেষ পর্যায়ে অবশিষ্ট হজযাত্রীর ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ বিমান টিকিট এজেন্সির অনুকূলে ইস্যুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।
প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়েই ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করা যাবে না বলেও জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।