শিরোনাম
বাসস
প্রকাশ: ১৭:০০, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
ভোক্তা পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১৬ টাকা কমিয়ে ৭০ দশমিক ১০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
রোববার বিইআরসি’র সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ২২(খ) ও ৩৪ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
পুনর্নির্ধারিত এই দাম রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
বিইআরসি জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) গত ২০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ফার্নেস অয়েলের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব কমিশনে দাখিল করে।
পরবর্তীতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (এমপিএল), স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (এসএওসিএল), যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (জেওসিএল) এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (পিওসিএল) বিপণন ও পরিবহন চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়।
প্রস্তাবগুলোর ওপর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠান ও আগ্রহী পক্ষগণ অংশগ্রহণ করেন।
গণশুনানি পরবর্তী মতামত ও তথ্যাদি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ শেষে, কমিশন ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য, বিপণন চার্জ ও সমন্বিত পরিবহন চার্জ পুনর্নির্ধারণ করে।
নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানির বিপণন চার্জ প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৭১ টাকা এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ প্রতি লিটার ১ দশমিক ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিপিসি’র ফার্নেস অয়েলের গ্রাহক শ্রেণিতে রয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো), সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, শিল্প কারখানা ও অন্যান্য গ্রাহক।
এর আগে ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য ছিল প্রতি লিটার ৮৬ টাকা।
উল্লেখ্য, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল ও জেট এ-১ এর দাম নির্ধারণের এখতিয়ার বিইআরসি’র ওপর ন্যস্ত করা হয়।