ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

মজুত রেখে সরবরাহ বন্ধে যশোরে পেট্রোল পাম্পকে জরিমানা

চট্টগ্রামে ৬ হাজার লি. তেল মজুদ রেখে পাম্পে বিক্রি বন্ধ, জরিমানা

বাসস

প্রকাশ: ১১:২৬, ৩০ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে ৬ হাজার লি. তেল মজুদ রেখে পাম্পে বিক্রি বন্ধ, জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর একটি পাম্পে তেল মজুদ থাকার পরও বিক্রি বন্ধ রাখায় জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।রোববার (২৯ মার্চ) হাটহাজারী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহেদ আরমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার রাতে উপজেলার নাজিরহাট নতুন ব্রিজ সংলগ্ন লতিফ অ্যান্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনকে এ জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, শনিবার বিকালে পাম্পটিতে তেল বিক্রি বন্ধ রাখার বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। রাতে সেখানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

শাহেদ আরমান বলেন, অভিযানে পাম্পটির রিজার্ভারে প্রায় ৬ হাজার লিটার অকটেনের মজুদ পেয়েছি। তার মধ্যে শনিবার তারা ডিপো থেকে ৪ হাজার লিটার অকটেন এনেছিল পাম্পে।

তিনি আরও বলেন, পাম্পে তেল মজুদ করে রাখার কোনো নিয়ম নেই। যতক্ষণ জ্বালানি থাকবে, ততক্ষণ তাদের বিক্রি করতে হবে।

মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ২০ ধারা অনুযায়ী এই অপরাধে পাম্পটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি মজুদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অকটেন বিক্রি পুনরায় চালু করে দেওয়া হয়। 

যশোর:
এদিকে, তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও পেট্রোল পাম্প বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার অভিযোগে যশোরে একটি পাম্প কর্তৃপক্ষকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার সদর উপজেলার আর এন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘যাত্রীক পাম্প’ কর্তৃপক্ষকে এ জরিমানা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পাম্প কর্তৃপক্ষ ‘তেল নেই’ অজুহাতে পাম্পটি বন্ধ রাখে। এতে বাইরে শতাধিক যানবাহন চালক দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হন।

পরবর্তীতে বিকেলে অভিযান চালিয়ে পাম্পটির আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংক পরিদর্শন করে দেখা যায়, সেখানে ৮১৫ লিটার পেট্রোল মজুত রয়েছে। 

এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় পাম্প কর্তৃপক্ষকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে পাম্প চালু করে লাইনে অপেক্ষমাণ চালকদের মধ্যে তেল সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযানের সময় পাম্পের তেল পরিমাপের যন্ত্র (মেশিন ক্যালিব্রেশন) সঠিক আছে কি না তাও পরীক্ষা করা হয়।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন বলেন, ‘নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।’

 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন