শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪:২৯, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৪:৩৫, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: বিবিসি-এর সৌজন্যে।
মঙ্গলবার সন্ধায় মুম্বাই বিমানবন্দরে দুটি যাত্রীবাহী বিমানের ডানার প্রান্ত বা উইংটিপ একে অপরের সঙ্গে ঘষা লাগার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ)। এই ঘটনার পর যাত্রীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়।
ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান উড্ডয়নের জন্য অপেক্ষা করছিল। সেই সময় ল্যান্ডিং শেষ করে সমান্তরাল ট্যাক্সিওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি বিমান সেটির ডানার প্রান্তে ঘষা দিয়ে চলে যায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে যে দুটি বিমানেরই ডান উইংটিপ একে অপরকে স্পর্শ করেছে, খবর বিবিসি’র।
উভয় বিমান সংস্থাই জানিয়েছে যে সকল যাত্রী ও ক্রু নিরাপদ আছেন। দুর্ঘটনার কবলে পড়া এয়ারবাস এ৩২০ মডেলের বিমান দুটিকে পরিদর্শনের জন্য আপাতত গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে।
ঘটনাটি মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটে। এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটটি দক্ষিণ ভারতের কোয়েম্বাটুরে যাওয়ার কথা ছিল এবং ইন্ডিগো বিমানটি হায়দ্রাবাদ থেকে মুম্বাইয়ে এসে পৌঁছেছিল।
বিমানে কতজন যাত্রী বা ক্রু ছিলেন তা ডিজিসিএ বা এয়ারলাইন্সগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে বিবিসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বিমান কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাধারণত ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী এই বিমানগুলোতে ১৫০ থেকে ১৮৬ জন যাত্রী এবং ৬ থেকে ৮ জন ক্রু থাকেন।
এয়ার ইন্ডিয়ার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের বিমানের উইংটিপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে ইন্ডিগো জানিয়েছে, তাদের যাত্রীরা নিরাপদে নেমে গেছেন এবং পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি ভারতে বেশ কিছু কারিগরি এবং গ্রাউন্ড-হ্যান্ডলিং সমস্যার কারণে বিমান চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। গত রবিবার বেঙ্গালুরুতে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচে ত্রুটির খবর পাওয়া গিয়েছিল, যদিও পরে কোনো ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, গত জানুয়ারিতে দিল্লি বিমানবন্দরে ট্যাক্সি করার সময় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি এয়ারবাস এ৩৫০ ইঞ্জিনের ভেতরে একটি কার্গো কন্টেইনার ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনাকে স্ট্যান্ডার্ড নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।