শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১:২১, ২৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২১:২২, ২৭ মার্চ ২০২৬
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে গরুডা ফ্লাইটের যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত।
গত ২৫ মার্চ চ্যাঙ্গি বিমানবন্দর থেকে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তাগামী গরুডা ইন্দোনেশিয়া ফ্লাইটের উড্ডয়নের আগে বিমানে নিরাপত্তা জনিত সমস্যা শনাক্ত হওয়ার পর যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়, খবর সিঙ্গাপুর স্ট্রেইটস টাইমসের।
শুক্রবার ২৭ মার্চ এয়ারলাইন্সটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওইদিন বোর্ডিং চলাকালীন GA829 ফ্লাইটের ক্রু বিমানের লেজের অংশে একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করেন, যা উড্ডয়ন নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারত।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে চ্যাঙ্গি থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন ওই বিমানে বেশিরভাগ যাত্রী তখন উঠে পড়েছিলেন। যাত্রীদের বোর্ডিং গেটে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য "পরিমিত ও নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা" গ্রহণ করা হয়েছিল।
দ্রুত বিমান থেকে নামানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যাত্রীদের অ্যারোব্রিজ এবং বিমানের পিছনের দরজার এস্কেপ স্লাইডের (জরুরি নির্গমন পথ) মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, “সমস্ত যাত্রীকে জাকার্তায় তাদের যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বিকল্প বিমানে স্থানান্তরিত করা হয় এবং প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছে।”
বিকল্প ফ্লাইটটি কখন ছেড়েছে বা নিরাপত্তা ঝুঁকির বিস্তারিত তথ্য গরুডা ইন্দোনেশিয়া প্রকাশ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ঘটনার ছবিতে বিমানের উভয় পাশে স্লাইড খোলা এবং আশেপাশে ফায়ার ইঞ্জিন দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
চীনা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম শাওহংশু-তে একজন যাত্রী তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে জানান, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে বিমানটির বিদ্যুৎ সংযোগ হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর ক্রুরা চিৎকার করে যাত্রীদের বিমান থেকে নেমে যেতে বলেন।
বিমানের পেছনের দিকে ইনফ্ল্যাটেবল স্লাইডগুলো বসানো হয়েছিল এবং যাত্রীরা বিমানবন্দর টার্মিনালে ফিরে আসতে সক্ষম হন। ওই ব্যবহারকারী আরও জানান, সেখানে পাঁচটি ফায়ার ইঞ্জিন উপস্থিত ছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর ২৭ মার্চ এয়ারলাইন্সটি একটি বিবৃতি দেয়।
বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটের ফ্লাইটে স্থানান্তরিত হওয়া এক যাত্রী বলেন, "সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, উড্ডয়নের পর এটি ধরা পড়েনি।"
বিবৃতিতে এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, উড্ডয়ন নিরাপত্তা ও সুরক্ষা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং উদ্ভূত অসুবিধার জন্য তারা ক্ষমা চেয়েছে।
তারা আরও যোগ করেছে: “প্রচলিত এভিয়েশন সেফটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সমস্ত প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
চ্যাঙ্গি এয়ারপোর্ট গ্রুপ নিশ্চিত করেছে যে এই ঘটনার জন্য তাদের এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি সার্ভিস সক্রিয় করা হয়েছিল, তবে তারা বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি। স্ট্রেইটস টাইমস আরও তথ্যের জন্য গরুড় ইন্দোনেশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে।
ফ্লাইটের যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
গত ২৫ মার্চ চ্যাঙ্গি বিমানবন্দর থেকে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তাগামী গরুডা ইন্দোনেশিয়া ফ্লাইটের উড্ডয়নের আগে বিমানে নিরাপত্তা জনিত সমস্যা শনাক্ত হওয়ার পর যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
২৭ মার্চ এয়ারলাইন্সটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওইদিন বোর্ডিং চলাকালীন GA829 ফ্লাইটের ক্রু বিমানের লেজের অংশে একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করেন, যা উড্ডয়ন নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারত।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে চাঙ্গি থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন ওই বিমানে বেশিরভাগ যাত্রী তখন উঠে পড়েছিলেন। যাত্রীদের বোর্ডিং গেটে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য "পরিমিত ও নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা" গ্রহণ করা হয়েছিল।
দ্রুত বিমান থেকে নামানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যাত্রীদের অ্যারোব্রিজ এবং বিমানের পিছনের দরজার এস্কেপ স্লাইডের (জরুরি নির্গমন পথ) মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, “সমস্ত যাত্রীকে জাকার্তায় তাদের যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বিকল্প বিমানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছে।”
বিকল্প ফ্লাইটটি কখন ছেড়েছে বা নিরাপত্তা ঝুঁকির বিস্তারিত তথ্য গরুডা ইন্দোনেশিয়া প্রকাশ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ঘটনার ছবিতে বিমানের উভয় পাশে স্লাইড খোলা এবং আশেপাশে ফায়ার ইঞ্জিন দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
চীনা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম শাওহংশু-তে একজন যাত্রী তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে জানান, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে বিমানটির বিদ্যুৎ সংযোগ হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর ক্রুরা চিৎকার করে যাত্রীদের বিমান থেকে নেমে যেতে বলেন।
বিমানের পেছনের দিকে ইনফ্ল্যাটেবল স্লাইডগুলো বসানো হয়েছিল এবং যাত্রীরা বিমানবন্দর টার্মিনালে ফিরে আসতে সক্ষম হন। ওই ব্যবহারকারী আরও জানান, সেখানে পাঁচটি ফায়ার ইঞ্জিন উপস্থিত ছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর ২৭ মার্চ এয়ারলাইন্সটি একটি বিবৃতি দেয়।
বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটের ফ্লাইটে স্থানান্তরিত হওয়া এক যাত্রী বলেন, "সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, উড্ডয়নের পর এটি ধরা পড়েনি।"
বিবৃতিতে এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, উড্ডয়ন নিরাপত্তা ও সুরক্ষা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং উদ্ভূত অসুবিধার জন্য তারা ক্ষমা চেয়েছে।
তারা আরও যোগ করেছে: “প্রচলিত এভিয়েশন সেফটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সমস্ত প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
চ্যাঙ্গি এয়ারপোর্ট গ্রুপ নিশ্চিত করেছে যে এই ঘটনার জন্য তাদের এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি সার্ভিস সক্রিয় করা হয়েছিল, তবে তারা বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি। স্ট্রেইটস টাইমস আরও তথ্যের জন্য গরুডা ইন্দোনেশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে।