শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০:২২, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩২, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি: সংগৃহীত।
হোয়াইট হাউস সোমবার জানিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আগ্রহী। মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়, তবে ট্রাম্প তার সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি বাস্তবায়নে দ্বিধা করবেন না। তবে তেহরানের সঙ্গে কূটনীতি চালিয়ে যাওয়াই তার প্রথম পছন্দ।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বড় গুণ হলো তিনি সবসময় সব ধরনের বিকল্প হাতে রাখেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে বিমান হামলা তার কাছে থাকা অনেকগুলো বিকল্পের একটি মাত্র, তবে কূটনীতিই সবসময় প্রেসিডেন্টের কাছে প্রথম অগ্রাধিকার পায়, খবর ডেইলী সাবাহ’র।
তিনি আরও যোগ করেন, ইরানি সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে যা বলা হচ্ছে, তার চেয়ে ভিন্ন ধরনের বার্তা প্রশাসন ব্যক্তিগতভাবে পাচ্ছে। আমি মনে করি ওই বার্তাগুলো নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের আগ্রহ আছে। তবে তা সত্ত্বেও, প্রেসিডেন্ট যখনই প্রয়োজন মনে করবেন সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে ভয় পাবেন না এবং ইরানের চেয়ে ভালো এটি আর কেউ জানে না।
দিনের শুরুর দিকে, অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতির প্রতিবাদে দেশজুড়ে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ১৬তম দিনে পদার্পণ করলে ইরানের বিভিন্ন স্থানে সরকারের সমর্থনে পাল্টা মিছিল বের করা হয়। তেহরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী ব্যস্ত এলাকা এনঘেলাব স্কয়ারে জনতা জড়ো হয়ে ইরানি পতাকা প্রদর্শন করে এবং জনসমক্ষে সাম্প্রতিক সহিংসতার নিন্দা জানায়।
বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান দাবি করার পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখান করার কথা বলেন। পূর্ব ইরানের কেরমান, জাহেদান এবং বিরজান্দসহ অন্যান্য শহরেও মিছিলের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র দাঙ্গাবাজদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন, যারা দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রকাশ্য স্থানে হামলা চালিয়েছে বলে তাদের দাবি।
ইরানি বার্তা সংস্থা ফারসের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে যে, একটি আন্তর্জাতিক কার্গো ট্রাক ট্রানজিট করার সময় সেখান থেকে ২৭৩টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, খোররামাবাদ শহর থেকে একটি নিষিদ্ধ কুর্দি দলের সঙ্গে যুক্ত পাঁচ সদস্যের একটি সন্ত্রাসী সেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ইরানের বাইরে থেকে পরিচালিত ফারসি ভাষার বিরোধী চ্যানেলগুলোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।