শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯:২০, ৩ মার্চ ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
২০২৬ সালের মার্চের শুরুতে ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ও বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে দুবাই এবং আবুধাবিসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান বিমানবন্দরগুলো সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এর ফলে গত কয়েক দিনে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং প্রায় ১০ লক্ষাধিক যাত্রী বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২ মার্চ সোমবার সন্ধ্যা থেকে আমিরাতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (GCAA) ‘ব্যতিক্রমী’ বা বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে, খবর ইউরো নিউজের।
ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য:
সীমিত পরিষেবা: দুবাই ইন্টারন্যাশনাল (DXB), দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল (DWC) এবং আবুধাবির জায়েদ ইন্টারন্যাশনাল (AUH) বিমানবন্দর থেকে সীমিত আকারে এই ফ্লাইটগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে।
অগ্রাধিকার: এমিরেটস (Emirates) এবং ইতিহাদ (Etihad) এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, যেসব যাত্রীর আগে থেকে বুকিং ছিল এবং যারা ট্রানজিটে আটকে আছেন, তাদের আগে গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়া হবে।
ভারতীয়দের জন্য স্বস্তি: সোমবার রাতেই ইতিহাদ এয়ারলাইন্সের বেশ কিছু বিশেষ ফ্লাইট আবুধাবি থেকে দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু এবং কোচি বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা:
আমিরাত কর্তৃপক্ষ কড়া নির্দেশনা দিয়েছে যে, এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে সরাসরি যোগাযোগ বা কনফার্মেশন না পাওয়া পর্যন্ত কোনো যাত্রী যেন বিমানবন্দরে ভিড় না করেন। ভিড় এড়াতে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
সংঘাতের প্রেক্ষাপট:
উল্লেখ্য যে, গত কয়েক দিনে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর আসার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইরানও পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার প্রভাবে আমিরাতসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর আকাশপথ অনিরাপদ হয়ে পড়ে। বর্তমানে এই যুদ্ধাবস্থার কারণেই নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।