শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৮:১০, ১৪ মার্চ ২০২৬
মার্কিন রণতরী ইউএসএস ত্রিপলি। ছবি: জাপান টুডে-এর সৌজন্যে।
সংবাদ সংস্থা 'দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস' জানিয়েছে যে, জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত ৩১তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটের সদস্য এবং নাগাসাকি প্রিফেকচারের সাসেবোতে অবস্থিত উভচর যুদ্ধজাহাজ USS Tripoli-কে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই সংবেদনশীল সামরিক পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
এই বিশেষ ইউনিটটি মূলত উভচর ল্যান্ডিং বা উপকূলীয় আক্রমণে দক্ষ। তবে তারা দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা, সাধারণ নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়ও বিশেষভাবে পারদর্শী।
এই মোতায়েনের অর্থ এই নয় যে কোনো স্থল অভিযান এখনই শুরু হতে যাচ্ছে বা নিশ্চিতভাবে হবে। এটি মূলত একটি সতর্কতামূলক অবস্থান।
বর্তমান অবস্থান: সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত ছবি অনুযায়ী, ৩১তম মেরিন ইউনিট এবং ত্রিপোলি জাহাজটি গত কয়েকদিন ধরে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থান করছিল। কমার্শিয়াল স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া তথ্যমতে, জাহাজটিকে তাইওয়ানের কাছাকাছি চলমান অবস্থায় দেখা গেছে। সেখান থেকে ইরানের জলসীমায় পৌঁছাতে জাহাজটির আরও এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ-শক্তি:
বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। সেখানে আছে: USS Abraham Lincoln: একটি বিশাল বিমানবাহী রণতরী।সহযোগী জাহাজ: এছাড়া ৮টি ডেস্ট্রয়ারসহ মোট ১২টি জাহাজ আরব সাগরে অবস্থান করছে। USS Tripoli-র গুরুত্ব: ত্রিপোলি যদি এই বহরে যোগ দেয়, তবে এটি হবে ওই অঞ্চলে আব্রাহাম লিনকনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম রণতরী।
মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ঠিক কতজন মার্কিন সেনা রয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট নয়। তবে কাতারস্থ আল-উদাইদ বিমান ঘাঁটি (অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম ঘাঁটি) তেই সাধারণত প্রায় ৮,০০০ মার্কিন সেনা অবস্থান করে।