ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
পত্রিকা: ’রাতের ভোটে লেনদেন ১০ হাজার কোটি’
Scroll
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসার কাজ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী আছে চট্টগ্রামে
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা
Scroll
আইন না থাকার কারণেই কি কমছে নারী প্রার্থীর সংখ্যা?
Scroll
জাপানে উচ্চ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অফুরন্ত: জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
Scroll
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও সমমনা জোট নেতাদের সাক্ষাৎ
Scroll
রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ
Scroll
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা
Scroll
বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক
Scroll
মনোনয়ন গ্রহণ, বাতিল: ইসিতে পঞ্চম দিনে আরো ৭৩ আপিল মঞ্জুর
Scroll
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ
Scroll
দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিএনসিসি ক্যাডেটদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সেনা প্রধান
Scroll
শুল্ক বাধা সত্ত্বেও চীনের রেকর্ড ১ ট্রিলিয়ন ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত
Scroll
স্বর্ণের দামে আবারও নতুন রেকর্ড, রুপার দাম ৯০ ডলারে পৌঁছেছে
Scroll
থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ায় ২২ জনের প্রাণহানি, আহত ৩০
Scroll
নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারিতেই হবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
শিপিং কর্পোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরে রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স বিধিমালা জারি করেছে এনবিআর
Scroll
নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবেলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

পত্রিকা: ’সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপি’র বিদ্রোহীরা’

বিবিসি নিউজ বাংলা

প্রকাশ: ০৯:০১, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৯:০৮, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

পত্রিকা: ’সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপি’র বিদ্রোহীরা’

প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত

'সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপি'র বিদ্রোহীরা' মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, অবশেষে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপি'র প্রার্থীরা। বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন তারা।

গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন জেলার দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে গুলশান কার্যালয়ে কথা বলছেন তারেক রহমান।

দলের প্রার্থীর স্বার্থে নির্বাচনে সহযোগিতার অনুরোধ করে বিএনপি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে তাদের যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস দেন দলের চেয়ারম্যান।

তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর বিভিন্ন জেলার বেশক'জন বিদ্রোহী প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সমমনা জোটের প্রার্থীরা।

ছেড়ে দেয়া ১৭টি আসনের মধ্যে চারটি আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী এখনো অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তারা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে পারেন। এছাড়া বেশ কিছু আসনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।

বিএনপি'র দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপি'র হাইকমান্ডের অনুরোধে ইতোমধ্যে অনেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

আর যারা প্রত্যাহার করেননি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০শে জানুয়ারির মধ্যে তারাও প্রত্যাহার করবেন।

এরপরও যদি প্রত্যাহার না করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে দল। এরই মধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় ১০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সমকালের শিরোনাম 'সাধারণ শিক্ষার্থীর নামে শিক্ষক হেনস্তাকারীরা শিবির-সম্পৃক্ত'।

খবরে বলা হচ্ছে, "আপনি নিজ যোগ্যতায় বসেননি, আপনাকে আমরা বসিয়েছি, আপনি আমাদের কথা শুনতে বাধ্য"; ২০২৫ সালের ৪ঠা জুলাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে তার কক্ষে বসে এভাবেই শাসানো হয়।

গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর আরও কয়েকজন শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। সর্বশেষ এক শিক্ষককে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেছেন চাকসু প্রতিনিধিরা।

একের পর এক এসব ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে শিক্ষকদের মাঝে।

'সাধারণ শিক্ষার্থী' ব্যানারে যারা এসব ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাদের অনেকে ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে জড়িত। আবার কেউ কেউ ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন আগে থেকেই।

বিশিষ্টজন বলছেন, কোনো শিক্ষক অপরাধ করলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় বিচারের মুখোমুখি করা যেতে পারে। কিন্তু 'মব' তৈরির মাধ্যমে হেনস্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। পুরো সমাজ ব্যবস্থায় খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

'বিএনপি-জামায়াতের দ্বিমুখী লড়াই' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র এক মাস বাকি। রাজনৈতিক দলগুলো যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন একটি বেসরকারি জাতীয় জরিপে উঠে এসেছে নির্বাচনী রাজনীতির এক নতুন বাস্তবতা।

দীর্ঘদিনের বিএনপি-আওয়ামী লীগ দ্বিদলীয় প্রতিযোগিতার গণ্ডি ভেঙে এবার ক্ষমতার ময়দানে মুখোমুখি হচ্ছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র- বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।

জরিপ বলছে, দুই দলের সমর্থনের ব্যবধান অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ। ফলে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করছে সিদ্ধান্তহীন ১৭ শতাংশ ভোটারের ওপর-যারা শেষ মুহূর্তে হয়ে উঠতে পারেন প্রকৃত 'কিংমেকার'।

গত ২১ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার ২৯৫টি সংসদীয় আসনে জরিপটি পরিচালিত হয়। প্রজেকশন বিডি, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (আইআইএলডি), জাগরণ ফাউন্ডেশন এবং ন্যারাটিভ যৌথভাবে এই গবেষণা পরিচালনা করে।

জরিপের শিরোনাম ছিল- "প্রি-ইলেকশন পালস : অ্যান ইন-ডেপথ অ্যানালাইসিস অব দ্য বাংলাদেশী ইলেক্টোরেট।" এতে দেখা গেছে, উচ্চশিক্ষিত ভোটারদের ঝোঁক তুলনামূলকভাবে জামায়াতের দিকে, আর কম শিক্ষিত ভোটারদের সমর্থন বেশি বিএনপির দিকে।

'নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পোস্টাল ব্যালট' ইত্তেফাকের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জয়- পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন পোস্টাল ব্যালটের নিবন্ধনকারী ভোটাররা। নানাভাবে রাজনৈতিক দলগুলো প্রবাসী ভোটারদের কাছে দ্বারস্থ হচ্ছেন।

ইতিমধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন। নিবন্ধনকারীদের মধ্যে দেশের ভেতরে রয়েছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন।

আর বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ভোটার রয়েছেন ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪২ জন। ৯৭টি আসনে ৫ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করেছেন।

প্রতীকের পাশে টিক অথবা ক্রস দিয়ে ভোট দিতে পারবেন নিবন্ধিত ভোটাররা। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু হবে। ভোটের দিনই পোস্টাল ব্যালট পেপারও গণনা করা হবে বলে জানিয়েছে ইসি।

যেসব আসনে কম ভোটের ব্যবধানে জয়- পরাজয় নির্ধারিত হয়, সেসব আসনে ফলাফল নির্ধারণে পোস্টাল ব্যালটের প্রভাব থাকবে বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেছেন, ভোটের লড়াইয়ে কখনো কখনো একাধিক প্রার্থী সমান সমান ভোট পান; অনেক সময় ৫-১০ ভোটের ব্যবধানেও জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়। সেখানে এবার হয়তো প্রবাসীদের ভোট জয়-পরাজয় নির্ধারণের নিয়ামক (ফ্যাক্টর) হিসেবে কাজ করবে।

'ভোটে ভয় পাচ্ছে পুলিশ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।

পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক ও অন্যান্য চাপের কারণে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সে কারণে নির্বাচনের দিন আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়তা চায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গত সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় হয়। সেই সভায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সহযোগিতা চান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইপিজি) বাহারুল আলম।

বৈঠকে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল ও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা না পেলে ভোটের দিন চাপমুক্তভাবে কাজ করা পুলিশের পক্ষে সম্ভব হবে না। এতে ভবিষ্যতে পুলিশের অস্তিত্ব ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও সংকটে পড়তে পারে।

'অপরাধ-মানসিকতা তৈরির ভয়ংকর ফাঁদ 'অ্যালগরিদম'' যুগান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, মানুষের সঙ্গে মানুষের ভার্চুয়াল যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আর কেবল মতবিনিময়ের জায়গা নয়-ক্রমেই তা বিভাজন, বিদ্বেষ ও সহিংসতা ছড়ানোর উর্বর ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। এর নেপথ্যে কাজ করছে এক অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক 'অ্যালগরিদম'।

ব্যবহারকারীর পছন্দ, আগ্রহ ও আচরণ বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্ট সামনে এনে এই প্রযুক্তি ধীরে ধীরে মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণকে প্রভাবিত করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালগরিদমনির্ভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন জ্ঞানের জানালা খুলে দিচ্ছে না, বরং তৈরি করছে দেওয়াল। মানুষ জানছে কম, কিন্তু বিশ্বাস করছে বেশি।

গুজব, উসকানি ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে, যা মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা ও কার্যকর উদ্যোগ স্পষ্টতই অপর্যাপ্ত।

প্রথম আলোর শিরোনাম ' ট্রাম্পের হুমকি, যুদ্ধ না চাইলেও প্রস্তুত ইরান'।

খবরে বলা হচ্ছে, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বিক্ষোভে ইরান সরকারের দমন-পীড়নের দিকে ইঙ্গিত করে দেশটিতে আবার সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জবাবে ইরান বলেছে, যুদ্ধ না চাইলেও তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সংলাপের পথও খোলা রেখেছে তারা।

গতকাল সোমবার ছিল বিক্ষোভের ১৬তম দিন। এদিন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৬৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলছে, সাড়ে ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান।

অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০৯ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। তবে দেশটি বিক্ষোভকারীদের হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেনি। এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, বিক্ষোভ পরিস্থিতি 'পুরোপুরি' নিয়ন্ত্রণে' এসেছে।

কালের কণ্ঠের শিরোনাম 'বড় পতনে রপ্তানি খাত'। খবরে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক উত্তেজনা, ভোটের ডামাডোল, মব সন্ত্রাস আর নানা ইস্যুর আড়ালে নীরবে ডুবছে অর্থনীতির প্রাণ হিসেবে পরিচিত দেশের রপ্তানি খাত।

পাঁচ মাস ধরে টানা এই খাতের আয় কমছে। কার্যাদেশ অন্য বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। আগামী জুন মাস পর্যন্ত এই খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন তাঁরা।

বৈশ্বিক চাহিদা সংকোচন, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং নীতি সহায়তার ঘাটতির কারণে রপ্তানি আয়ে এমন নেতিবাচক ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রাক্কালে দেশের রপ্তানি খাত আরো বড় সংকটে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন উদ্যোক্তারা।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর মাসে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪.২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৬ কোটি ডলারে।

আগস্ট মাসে শুরু হওয়া এই নিম্নমুখী প্রবণতা এখনো কাটেনি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) মোট রপ্তানি হয়েছে দুই হাজার ৩৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২.১৯ শতাংশ বা প্রায় ৫৪ কোটি ডলার কম।

'অস্তিত্ব টেকানোর নামে ক্ষত বাড়াচ্ছে জনতা ব্যাংক' বণিক বার্তার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, যেকোনো ব্যাংকের আয়ের প্রধান উৎস বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে আদায়কৃত সুদ। এ আয় দিয়েই ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধসহ অন্যান্য ব্যয় মেটানো হয়।

কিন্তু জনতা ব্যাংকের ক্ষেত্রে বিতরণকৃত ঋণ সম্পদ না হয়ে গলার ফাঁসে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ এখন খেলাপি।

সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫ সালে সুদ খাতে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনেছে ব্যাংকটি। ফলে বছর শেষে জনতা ব্যাংকের পরিচালন লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়।

লোকসানের প্রাথমিক এ হিসাব অবশ্য চূড়ান্ত নয়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, নিরীক্ষার পর লোকসানের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়াবে ৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি এবং মূলধন ঘাটতি ছাড়াবে ৬৬ হাজার কোটি টাকা।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'State scripted last 3 polls'.

খবরে বলা হচ্ছে, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে হয়েছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন এবং গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশকে ব্যবহার করা হয়েছিল।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্তে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

গতকাল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তদন্ত কমিশন এ প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সেসব নির্বাচনে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ইসির কাছ থেকে প্রশাসনের হাতে চলে যায়।

২০০৮ সালের নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউ এজের শিরোনাম 'Unskilled drivers, faulty licences fuel road chaos' অর্থাৎ, 'অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ লাইসেন্স সড়কে বিশৃঙ্খলা বাড়াচ্ছে।'

খবরে বলা হচ্ছে, বেহাল সড়ক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের নিয়মিত চলাচলের কারণে অদক্ষ চালকেরা সারা বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

দেশে বিপুল সংখ্যক পেশাদার চালক কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি চালাচ্ছেন। আরেকটি অংশ ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার করে গাড়ি চালাচ্ছেন। কেউ কেউ কারসাজির মাধ্যমে লাইসেন্স আদায় করছেন।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার চাপের কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা প্রায়শই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে না।

দেশের বিপুলসংখ্যক পেশাদার চালক খুব অল্প বয়স থেকেই বিভিন্ন গণপরিবহনের চালকদের সহকারী হিসেবে প্রশিক্ষণ শুরু করেন। বাকি জীবনে কোনও পেশাদার প্রশিক্ষণ পান না।

অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালক এবং বেপরোয়া মনোভাব নিয়ে চালকেরা আইন অমান্য করছেন। ফলে দেশের রাস্তাঘাট বিশৃঙ্খল হয়ে উঠছে, যে কারণে ঘন ঘন মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে।আমরা যদি এখনই রাস্তা থেকে সব গাড়ি সরিয়ে ফেলি, তাহলে চালকের অভাবে বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন