ঢাকা, রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬

৭ চৈত্র ১৪৩২, ০১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
Scroll
দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর
Scroll
শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শন করলেন বিমান প্রতিমন্ত্রী
Scroll
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের মধ্যদিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত
Scroll
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঈদুল ফিতর, পার্সি নওরোজের শুভেচ্ছা
Scroll
ঈদের দিনে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ঢল
Scroll
ঈদুল ফিতরে ইন্দোনেশিয়া দেড় লাখ বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা প্রদান করেছে
Scroll
সমুদ্রে জাহাজে থাকা ইরানী তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
ঈদের দিন বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী
Scroll
গৌরনদীতে নিজ এলাকায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় তথ্যমন্ত্রীর
Scroll
বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময়
Scroll
কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
Scroll
তারেক রহমান-শাহবাজ শরিফের ফোনালাপ, ঈদের শুভেচ্ছা বি‌নিময়
Scroll
ঈদের ছুটিতে রেকর্ড পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার
Scroll
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি
Scroll
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন
Scroll
বিজবাংলা পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা
Scroll
সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
Scroll
কিউবা: গভীরতর জ্বালানি সংকটে বছরের প্রথম রুশ তেল পেতে যাচ্ছে
Scroll
কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বালেন্দ্র শাহ নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ২৭ মার্চ

ঈদের ছুটিতে রেকর্ড পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার

পর্যটন খাতে আয় ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে

দৈনিক আজাদীর সৌজন্যে

প্রকাশ: ০৯:৩৪, ২১ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটিতে রেকর্ড পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার

প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।

১০ লাখ পর্যটকের সমাগমের আশা করছেন হোটেল, গেস্টহাউস, রিসোর্ট মালিকগণ। তাদের কক্ষের ৫০ শতাংশ আগাম বুকিং হয়েছে। 
রমজানের সিয়াম সাধনার পর ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত রয়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার।

প্রতিবছর ঈদের ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণে আসেন বিপুল পর্যটক। এবার এই সংখ্যা আরো বাড়বে বলে প্রত্যাশা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের। তারা ধারণা করছেন, অন্তত ১০ লাখ পর্যটক ভ্রমণে আসবেন কক্সবাজারে। এই উপলক্ষ্যে সব পর্যটন কেন্দ্র নতুন করে সাজানো হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস ও সাত শতাধিক রেস্তোরাঁ। পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে কক্সবাজারে। এসব পর্যটক জেলার পাঁচ শতাধিক হোটেল–মোটেল ও গেস্টহাউজ এবং সাত শতাধিক রেস্তোঁরাসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিচরণ করবেন। ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি হোটেল–মোটেলের কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে। ঈদের আগে এবং ছুটির দিনগুলোতে শতভাগ বুকিংয়ের আশা হোটেল মালিকদের।

পর্যটকেরা সৈকত ভ্রমণের পাশাপাশি কক্সবাজার–টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক, টেকনাফ সমুদ্রসৈকত, ইনানী সৈকত, পাটোয়ারটেক, রামুর বৌদ্ধপল্লি, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, মহেশখালী, সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণে যাবেন। ইতিমধ্যে বিনোদনকেন্দ্রগুলো পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নসহ নানাভাবে সজ্জিত করা হয়েছে। বর্তমানে সাগরের নোনাজল ও বিস্তৃত বালিয়াড়ির সৈকত যেমন ফাঁকা ঠিক তেমনি সব হোটেল–মোটেল ও রিসোর্টেও নেই পর্যটক। রমজানের পুরো এক মাস পর্যটকশূন্য ছিল প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে ঈদুল ফিতরে টানা সাত দিনের ছুটি রয়েছে। এই ছুটিতে আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

সৈকতে পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য দ্রুতগতির জলযান জেডস্কি, স্পিডবোট, সমুদ্রের পানিতে গোসলে নামার টিউব, বালুচরে বসে সমুদ্র দর্শনের চেয়ার ছাতা (কিটকট) বসানো হয়েছে। সৈকত এলাকায় বন্ধ দোকানপাটও খুলতে শুরু করেছে।

হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, বিগত বছরে ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণে এসেছিলেন প্রায় সাত লক্ষাধিক পর্যটক। তখন হোটেল, গেস্টহাউস, রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা হয়েছিল প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। এবারের ঈদেও একই রকম পর্যটকের সমাগম হবে বলে আশা, আরও বাড়তেও পারে। কারণ এবার ছুটি বেশি।

তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন এক থেকে দেড় লাখ পর্যটকের আশা করছেন তারা। সবকিছু বিবেচনা করে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পাঁচ শতাধিক হোটেল, গেস্টহাউস, রিসোর্টে ৫০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা সাত দিন ছুটির প্রত্যেক দিনে লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগমে মুখরিত থাকবে কক্সবাজার। তাই হোটেল–মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলো সাজানো হয়েছে নতুন রূপে। পর্যটকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দোকানপাটগুলোতে তোলা হচ্ছে নতুন পণ্য। এরই মধ্যে আশানুরূপ সাড়া পেতে শুরু করেছে সাগরপাড়ের আবাসিক হোটেলগুলো। আগাম কক্ষ বুকিং দিয়েছেন পর্যটকরা। তাদের বরণে সার্বিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। অতিরিক্ত পর্যটকের চাপে যাতে হোটেল কক্ষের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং কক্ষ পেতে বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন তারা।

মেরিন ড্রাইভ সড়ক হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু টানা সাত দিনের ছুটি, সেহেতু নিঃসন্দেহে অতীতের যেকোনো ঈদের চেয়ে এবার বেশি পর্যটক কক্সবাজার বেড়াতে আসবেন। ইতিমধ্যে পর্যটকদের বরণে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমদ জানান পর্যটকের সার্বিক নিরাপত্তায় প্রস্তুত আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনী। তিনি বলেন, ঈদের টানা ছুটিতে কক্সবাজারে প্রতিদিন দেড় লাখের বেশি পর্যটক সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে পেট্রল টিমের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্ট বসানো হয়েছে সিসি ক্যামরা। সমুদ্রসৈকত ছাড়াও পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন