শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯:১২, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত।
রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী ইউক্রেনীয় বাহিনী ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বাসভবনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই অভিযোগের ফলে চলমান শান্তি প্রক্রিয়া নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে।
পুতিনের বাসভবনে হামলার অভিযোগ: রাশিয়া দাবি করেছে যে ইউক্রেন পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর ফলে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল, তাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, খবর ডিডাব্লিউ-এর।
তবে, ইউক্রেন এটি পত্যাখান করেছে। জেলেনস্কির বক্তব্য: ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে মাত্র ১৫ বছরের নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে এই যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়।
শান্তি নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের মন্তব্য
পোল্যান্ড এবং জার্মানির শীর্ষ নেতারা বর্তমান পরিস্থিতি ও শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন:
ডোনাল্ড টাস্ক (পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী): তিনি কিছুটা আশাবাদী হয়ে বলেছেন যে, সাম্প্রতিক আলোচনাগুলো "আশার আলো" দেখাচ্ছে। একটি সরকারি বৈঠকে তিনি মন্তব্য করেন, "শান্তি এখন দিগন্তে দেখা যাচ্ছে। এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা আশা জাগায় যে এই যুদ্ধ হয়তো খুব দ্রুতই শেষ হতে পারে।" তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এটি এখনো ১০০% নিশ্চিত নয়।
ফ্রেডরিখ মার্জ (জার্মান চ্যান্সেলর): জার্মান চ্যান্সেলর শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার ওপর জোর দিয়েছেন। ইউরোপীয় ও কানাডীয় নেতাদের সাথে আলোচনার পর তিনি তার এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন, "এখন আমাদের সবার পক্ষ থেকে স্বচ্ছতা এবং সততা প্রয়োজন, যার মধ্যে রাশিয়াও অন্তর্ভুক্ত।"
পুতিনের বাসভবনে হামলার কোনো প্রমাণ দেবে না রাশিয়া
ক্রেমলিন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার যে অভিযোগ তারা তুলেছে, সে বিষয়ে তারা কোনো প্রমাণ সরবরাহ করবে না।
ক্রেমলিনের বক্তব্য:
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, "আমি মনে করি না যে এ ধরনের একটি বিশাল ড্রোন হামলা চালানোর ক্ষেত্রে কোনো প্রমাণের প্রয়োজন আছে।" তিনি আরও যোগ করেন যে, এই কথিত হামলার কারণে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় মস্কো তাদের অবস্থান আরও "কঠোর" করবে।
ইউক্রেনের প্রতিক্রিয়া:
ইউক্রেন এই হামলার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। কিয়েভ জানিয়েছে যে, রাশিয়া এই হামলা ঘটার বিষয়ে কোনো "বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ" দিতে ব্যর্থ হয়েছে।