শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭:৪৪, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৪৬, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
তুরস্কের মারমারা অঞ্চলের বালিকেসির বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পরপরই দেশটির বিমান বাহিনীর একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পাইলট মেজর ইব্রাহিম বোলাত নিহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে বালিকেসির নবম মেইন জেট বেস কমান্ড থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিমানটির সঙ্গে রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং এটি রাডার থেকে নিখোঁজ হয়, খবর ইউরো নিউজের।
অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ইস্তাম্বুল-ইজমির মোটরওয়ের কাছে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায়। এই দুর্ঘটনায় বিমান বাহিনীর মেজর ইব্রাহিম বোলাত প্রাণ হারান।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "আমাদের পাইলট শহীদ হয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্তকারী দল কাজ করছে।" মন্ত্রণালয় নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
বালিকেসির গভর্নর ইসমাইল উস্তাওওলু জানান, একটি মিশন চলাকালীন বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
তুর্কি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরওয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এবং মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুর্ঘটনার কারণে ইস্তাম্বুল-ইজমির মোটরওয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
মেজর বোলাতের সম্মানে নবম মেইন জেট বেসে একটি সামরিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যেখানে দুটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লাইপাস্টের মাধ্যমে তাকে শ্রদ্ধা জানায়। এই অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী ও কন্যা উপস্থিত ছিলেন।
বালিকেসির চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস এই ক্র্যাশ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, চিফ পাবলিক প্রসিকিউটরসহ একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে প্রতিবেশী দেশ জর্জিয়ায় আজারবাইজান থেকে ফেরার পথে একটি সি-১৩০ কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জনের মৃত্যুর পর তুরস্ক তাদের কার্গো বিমান চলাচল স্থগিত করেছিল।