শিরোনাম
বাসস
প্রকাশ: ২০:১৭, ২২ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২০:২০, ২২ মার্চ ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা চালান, তবে ইরান তার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে "বড় ধরনের সামরিক অভিযান" (Operation Epic Fury) ঘোষণা করার পর থেকে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলায় ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
হামলার প্রথম দিনেই তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী নিহত হন। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনী উত্তরাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ইরান বর্তমানে ইসরায়েল,মার্কিন ঘাঁটি এবং বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে, খবর এবিসি নিউজের।। এছাড়া বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সচল রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করার প্রচেষ্টাও চালাচ্ছে ইরান।
এদিকে, লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধেও ইসরায়েল তাদের দীর্ঘদিনের হামলা অভিযান আরও জোরদার করেছে।
বিবিসি যোগ করেছে:
ইরান হুমকি দিয়েছে যে, তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালানো হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট জ্বালানি কেন্দ্রগুলো "অপরিবর্তনীয়ভাবে ধ্বংস" করে দেবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আল্টিমেটাম দিয়েছেন যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া না হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো "নিশ্চিহ্ন" করে দেবে।
তেহরানের এক নারী বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন, "আমি ভীষণ চিন্তিত... বিদ্যুৎ ছাড়া ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে।"
ইসরায়েলি জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দক্ষিণ ইসরায়েলে ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, ইরানের লক্ষ্য ছিল দিমোনা শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি পারমাণবিক স্থাপনা।
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও আজ সকালে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে।