শিরোনাম
বিবিসি নিউজ বাংলা
প্রকাশ: ০৯:২৫, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: বিবিসি নিউজ বাংলার সৌজন্যে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শেষ হয়েছে এবং এখন ভোটের অপেক্ষা- এই খবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রায় সব পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে।
'প্রচার শেষ, ভোটের অপেক্ষা' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হলো আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আর কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ প্রচারণা চালাতে পারবেন না।
কেউ প্রচারণা চালাচ্ছেন- এমন প্রমাণ মিললে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করে দিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে।
৩০০ আসনের তপশিল ঘোষণা হলেও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ২৯৯ আসনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হচ্ছে।
এদিকে, ভোটের আগে-পরের ৯৬ ঘণ্টা সারাদেশে জনসভা আয়োজন বা অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইসি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে, চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
এ ছাড়া ভোট গ্রহণ শুরু থেকে পরবর্তী সাড়ে ৮১ ঘণ্টা বাি ব্যক্তি ছাড়া বহিরাগতরা ওই এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
এ ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে।
সমকালের আরেকটি শিরোনাম 'তপশিলের পর গুলির ঘটনা ৩৪টি, অস্ত্র উদ্ধার ১১৩৯'। খবরে বলা হচ্ছে, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
গত শনিবার ওই সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আলু ক্ষেতের মধ্য দিয়ে দৌড়াদৌড়ি ও ককটেল বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ৪ই ফেব্রুয়ারি নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে বাড়িঘরে আগুন ও সংঘর্ষের ঘটনায় মুস্তাকিম মিয়া (১৩) নামে এক স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে।
শুধু মুন্সীগঞ্জ ও নরসিংদী নয়, ১১ই ডিসেম্বরে তপশিল ঘোষণার পর থেকে গত রোববার পর্যন্ত ৫৮ দিনে আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক, পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত বিরোধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এসব ঘটনার মধ্যে ৩৪টিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পুলিশের বিশেষ শাখার তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
'নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিগত আমলের নির্বাচনগুলোকে 'ফেক' ও 'প্রহসন' আখ্যা দিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গতকাল সোমবার প্রায় ৭০ জন সচিবের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাত্র দুই দিন আগে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের অতীত চিত্র তুলে ধরে বলেন, সেগুলো প্রকৃত নির্বাচন ছিল না, বরং ছিল এক ধরনের মকারি। সব কটিই ছিল ভুয়া নির্বাচন। তিনি সচিবদের আশ্বস্ত করেন, এবারের নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু। নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি, প্রায় লক্ষ্যে পৌঁছে গেছি। এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে।"
'তফসিলের পর ২৩৭ 'সহিংস' ঘটনা' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পর গত ৬০ দিনে ২৩৭টি 'সহিংস' ঘটনা ঘটেছে। নিহত হয়েছেন ১৭ জন। যদিও সরকারের দাবি, নিহতের ঘটনার মধ্যে পাঁচটিকে সরাসরি রাজনীতিসংশ্লিষ্ট বলা যায়। অন্যদিকে আহত হয়েছেন এক হাজার ১০৯ জন।
পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ভোট গ্রহণের পরের চার দিন পর্যন্ত সহিংস ঘটনায় মারা গেছেন ৮৯ জন। আহত ব্যক্তির সংখ্যা দুই হাজার ৬৫১ জন।
সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছিল ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। একতরফা সেই নির্বাচনে ৫৩ জনের মৃত্যু হয় (২৫ নভেম্বর, ২০১৩ থেকে ৯ জানুয়ারি, ২০১৪)।
পুলিশের হিসাবে, সবচেয়ে কম সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল ২০০৮ সালে। তাদের হিসাবে মারা গেছেন একজন, আহত চার জন।
২০০১ থেকে ২০২৪ সালের পাঁচ নির্বাচনে আলোচ্য সময়ে সহিংসতায় চারজন পুলিশের সদস্যের মৃত্যু হয় (২০১৪ সালে)। আর আহত এক হাজার ছয় জন।
পুলিশের একটি হিসাবে দেখা যাচ্ছে, গত ১২ই ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর গত ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সহিংস ঘটনা ঘটেছে ২০০টি। এরপর প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৭টি সহিংস ঘটনা পাওয়া যায়।
'সহিংসতার আলোচনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুলপ্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে একের পর এক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।
অন্যবারের চেয়ে এবার নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা বেশি। নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, সহিংসতার আশঙ্কাও তত বাড়ছে। আর এতে জনমনে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক।
তবে এমন আতঙ্ক দূর করার পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এবারই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।
সূত্র বলছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবারের নির্বাচনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। শুধু সশস্ত্র বাহিনী থেকেই ১ লাখ ৮ হাজারের মতো সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিনগুণ।
আগের তিন নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ করা হয় ৪০ থেকে ৪২ হাজার। এছাড়াও এবার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার।
'ভোট নিয়ে অপতথ্যের বন্যা ভারত থেকে' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হতে যাচ্ছে ১২ই ফেব্রুয়ারি। তবে এই ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের প্রভাবিত করতে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে ব্যাপকভাবে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সরকার পতনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। সেখানে রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চলে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই ) ব্যবহার করে স্পর্শকাতর বিভিন্ন ছবি তৈরি করা হচ্ছে এবং অনলাইনে জনমত প্রভাবিত করার জন্য এসব ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত।
এমন অপতথ্য ছড়ানো বন্ধে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্কের সাহায্য চেয়ে বলেছেন , নির্বাচন ঘিরে অপতথ্যের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে যেমন অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তেমনি বিদেশি গণমাধ্যম ব্যবহার করেও ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এর মধ্যে হিন্দুর সংখ্যাই বেশি।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, যেসব অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে এর কেন্দ্রে রয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতন। এসব অপতথ্য ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব পোস্টের সঙ্গে ' হিন্দু জেনোসাইডের মতো হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে।
'ভোটের মাঠে ৪৫ বিদেশি মিডিয়া, ১৭০ সাংবাদিক' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট পর্যবেক্ষণে ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ চষে বেড়াবেন ৪৫ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ১৭০ প্রতিনিধি।
বিদেশি সাংবাদিকদের বিশাল বহরের বেশির ভাগ এরই মধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন। অনেকে পথে রয়েছেন, তারা কাল পৌঁছাবেন। দু'চারজনের ভোটের আগের রাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ভোট পর্যবেক্ষণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মোট ৫৪২ জন প্রতিনিধি নিবন্ধন করেছেন।
৯ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে তথ্য হালনাগাদ হয়েছে তাতে ২৩টি দেশ ও ৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন। ওই তালিকায় নাম রয়েছে ৫১ জন স্বাধীন পর্যবেক্ষক এবং ১৭০ জন বিদেশি সাংবাদিকের।
নিউ এজের শিরোনাম 'Deal signed with US lowering tariff to 19pc for Bangladesh'.
খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এই চুক্তির পর বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশটির আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাতে এ চুক্তি সই হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্ক ১৯ শতাংশে কমিয়ে আনবে যা ৩৭ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে গত বছরের আগস্টে ২০ শতাংশে কমিয়ে আনা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে থেকে তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানি করে তৈরি করা পোশাক দেশটিতে রপ্তানি করা হলে তাতে কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ হবে না। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামালে তৈরি পোশাক দেশটিতে রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পাল্টা শুল্ক দিতে হবে না।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার আলোচিত এই বাণিজ্যচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, "এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকভাবে নতুন ধাপের চিহ্ন। এটি বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একে অপরের নিজ নিজ বাজারে প্রবেশাধিকার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।"
ইংরজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Dhaka division tops list of vulnerable polling centres'.
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর) আসনটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের তালিকায় আছে। আসনের ১২১টি কেন্দ্রকে 'অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এই আসনে মোট ১৯২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
জেলা পর্যায়ে কিশোরগঞ্জে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। জেলার ছয়টি নির্বাচনী এলাকার ৮৮৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৮টিই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।
বিভাগের মধ্যে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। এই বিভাগের ২ হাজার ৯৪৪টি ভোটকেন্দ্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভাগে মোট ১০ হাজার ১৬২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
রাজনৈতিক সহিংসতা, প্রভাবশালীদের প্রভাব, থানা থেকে বেশি দূরত্ব, দুর্গম এলাকা, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের আধিপত্য, দুর্বল পরিবহন সংযোগ এবং নিষ্ক্রিয় কমিউনিটি পুলিশিংসহ বিভিন্ন কারণের ওপর ভিত্তি করে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এই মূল্যায়ন করেছে।
'দুই জোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: আইআইএলডির জরিপের তথ্য' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে ভোটের নতুন সমীকরণ। নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে ভোটের হিসাবে বিএনপি সামান্য এগিয়ে থাকলেও তুলনামূলক বেশি আসনে জামায়াত এগিয়ে থাকার পূর্বাভাস দিচ্ছে।
এতে বলা হয়, ৪৪.১ শতাংশ ভোট বিএনপি পাচ্ছে, আর জামায়াতের ভোট ৪৩.৯ শতাংশ। জরিপ অনুযায়ী জামায়াত ১০৫টি আসনে জয় পেতে পারে, আর বিএনপি পেতে পারে ১০১টি আসন।
অন্য দিকে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেতে পারেন ১৯টি আসনে। এ ছাড়া ৭৫টি আসনে বিএনপি ও জামায়াত দুই প্রধান জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (আইআইএলডি) এবং জার্নাল অব ডেমোক্র্যাসির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রাক-নির্বাচনী জনমত জরিপে জাতীয় নির্বাচনে এমন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
'নারী: রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ক্ষমতায় না, ব্যালটে ৫০ শতাংশ' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের অর্ধেকই নারী। এ নির্বাচনে নারী ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, যা মোট ভোটারের ৪৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।
দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারীরা পিছিয়ে থাকলেও ব্যালটের শক্তিতে তারা পুরুষের সমান। ২০শে জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনের পর নির্বাচন কমিশন যে তালিকা দিয়েছে, সে অনুসারে মোট প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র ৪ শতাংশ।
বিভিন্ন মহলের মূল্যায়নে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ তিনটি জাতীয় নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই তিন নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারীরা যে পক্ষে বেশি ভোট দিয়েছেন, সেই দলই বিজয়ী হয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে পুরুষের তুলনায় নারীদের বেশি ভোট দেয়ার প্রবণতাও বিভিন্ন গবেষণা ও জরিপে উঠে এসেছে। তাই বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচনেও নারী ভোটারদের ভোট জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।