শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯:৪৪, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত।
অবশেষে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। সোমবার গভীর রাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ তার দেশের ক্রিকেট দলকে এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
কলম্বোতে নির্ধারিত ১৫ ফেব্রুয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি এখন সূচি অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে। আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব সদস্য দেশ আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণের শর্তাবলী মেনে চলতে এবং টুর্নামেন্টটি সফল করতে ঐক্যমত পোষণ করেছে, খবর টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া অনলাইনের।
এর আগে গত রবিবার লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাথে আইসিসির এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ক্রিকেটের স্বার্থ রক্ষায় সততা, নিরপেক্ষতা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা হয়। আইসিসি পিসিবি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাথে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকটিকে "উন্মুক্ত এবং গঠনমূলক" বলে বর্ণনা করেছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন যে, পাকিস্তান টুর্নামেন্টে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে এই বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশে ভারতে খেলতে রাজি না হওয়ায় তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানালেও লজিস্টিক সমস্যার কারণে আইসিসি তা নাকচ করে দেয়। আইসিসি বোর্ডে বাংলাদেশের এই দাবির পক্ষে ভোট দিয়েছিল পিসিবি। তবে শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারত-পাকিস্তান মহারণ মাঠে গড়াতে যাচ্ছে।
বহুপাক্ষিক আলোচনার ফলাফল এবং বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার শেষ পর্যন্ত তাদের জাতীয় ক্রিকেট দলকে ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার রাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিশানায়েকেকে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের কথা সরাসরি জানান। উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তানের এই বয়কট প্রত্যাহারের জন্য পিসিবি-র কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছিল।