ঢাকা, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, ০৪ সফর ১৪৪৮

বলছে জাতিসংঘ

মিয়ানমারে সামরিক নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের আগে সহিংসতা বৃদ্ধি

বাসস

প্রকাশ: ১৯:৫৯, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২০:০৪, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারে সামরিক নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের আগে সহিংসতা বৃদ্ধি

প্রতীকি ছবি (মিয়ানমার): সংগৃহীত।


মিয়ানমারে আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া "সামরিক-নিয়ন্ত্রিত" নির্বাচনের প্রাক্কালে দেশজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।

ভলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, "মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সাধারণ মানুষকে ভোট দিতে বাধ্য করার জন্য পাশবিক সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং ভিন্নমত পোষণকারী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা থেকে বিরত থাকতে হবে," খবর মালয়েশিয়ার দ্য স্টারের। 

তুর্ক আরও জানান যে, এই নির্বাচনের বিরোধিতা করা সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকেও বেসামরিক নাগরিকরা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই মিয়ানমার চরম বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার কবলে পড়ে আছে। মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুস এই নির্বাচনকে "অবাধ বা সুষ্ঠু কোনোটিই নয়" বলে অভিহিত করেছেন।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরতে নিচের উদাহরণগুলো দেওয়া হয়েছে:

কঠোর সাজা: ইয়াঙ্গুন বন্দর এলাকার কাছে নির্বাচনের পোস্টার লাগানোর চেষ্টা করার অভিযোগে তিন তরুণকে ৪২ থেকে ৪৯ বছরের দীর্ঘ কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মতপ্রকাশে বাধা: জান্তা সরকারের তৈরি একটি নির্বাচনী প্রচারণামূলক চলচ্চিত্রের সমালোচনা করায় একজন পরিচালক, একজন অভিনেতা এবং একজন কৌতুক অভিনেতাকে কয়েক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জোরপূর্বক ভোট: যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষদের তাদের গ্রামে ফিরে গিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুর্ক।

বিদ্রোহীদের তৎপরতা: বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। একটি নির্বাচনী প্রচারণায় যাওয়ার পথে ৯ জন নারী শিক্ষককে সাময়িকভাবে অপহরণ করা হয় এবং তাদের নির্বাচনে অংশ না নিতে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন