ঢাকা, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

২২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ শা'বান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
ট্রাম্প ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন বিলে স্বাক্ষর, সরকারি অচলাবস্থার অবসান
Scroll
উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব কোথায়?
Scroll
ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে
Scroll
ঢাকায় ভূমিকম্প অনুভূত
Scroll
নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা: তারেক রহমান
Scroll
শিক্ষা আইনের খসড়া: কোচিং সেন্টার ও নোট-গাইড বন্ধে কঠোর বিধান
Scroll
আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট
Scroll
নাম পরিবর্তন: র‌্যাব হচ্ছে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স, বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
Scroll
মানবজাতির সংযম ও সৌহার্দ্য অর্জনে নিবেদিত রাখার আহ্বান তারেক রহমানের
Scroll
সাভার-আশুলিয়াবাসীকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করতে চাই: এনসিপি প্রার্থী দিলশানা পারুল
Scroll
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষতার প্রশ্নে বিন্দুমাত্র শৈথিল্য নয়
Scroll
হামলার হুমকির মধ্যেই তুরস্কে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
Scroll
কৃত্রিম ফুসফুসের চিকিৎসা ব্যবহার নিয়ে উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: গবেষণা
Scroll
ট্রাম্প-মোদি সমঝোতা: রাশিয়ান তেল বর্জন এবং শুল্ক হ্রাস
Scroll
শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
Scroll
অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম হয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা
Scroll
আচরণবিধি ভঙ্গের ১৭৬ মামলায় ১৮ লাখ টাকা জরিমানা
Scroll
তরুণ ভোটারদের সঙ্গে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের চায়ের আড্ডা
Scroll
বিএনপি সরকার গঠন করলে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: তারেক রহমান
Scroll
ঢাকা মহানগর ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

মিয়ানমারে নির্বাচনের সময় বিমান হামলায় নিহত ১৭০

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮:০১, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

মিয়ানমারে নির্বাচনের সময় বিমান হামলায় নিহত ১৭০

প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।

জাতিসংঘ জানিয়েছে যে, মিয়ানমারের ব্যাপকভাবে সমালোচিত নির্বাচন চলাকালীন প্রায় দুই মাসে দেশটির সামরিক বাহিনী ৪০০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে, যাতে অন্তত ১৭০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস জানিয়েছে, নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত—অর্থাৎ নির্বাচনের সময়কালে—বিভিন্ন ওপেন সোর্সের মাধ্যমে খবর পাওয়া প্রায় ৪০৮টি সামরিক বিমান হামলায় অন্তত ১৭০ জন বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছেন।

মানবাধিকার অফিসের মিয়ানমার টিমের প্রধান জেমস রোডহেভার সতর্ক করে বলেছেন যে, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, খবর সিঙ্গাপুর স্ট্রেইট টাইমসের। 

ব্যাংকক থেকে জেনেভায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি জানান, এই তথ্যগুলো গত ডিসেম্বরের শুরু থেকে গত সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত সময়ের। অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকে ভোটের তিনটি ধাপ প্রায় শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়কাল এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে তিনি এই বলে সতর্ক করেছেন যে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং অনেক এলাকার মানুষের কথা বলতে ভয় পাওয়ার কারণে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করতে অনেক সময় বেশি সময় লাগে।

মিয়ানমারের মাসব্যাপী এই নির্বাচন নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্র পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো এই নির্বাচনকে সেনাশাসনের একটি নতুন মোড়ক হিসেবে অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে। উল্লেখ্য যে, অং সান সু চির জনপ্রিয় গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটার পাঁচ বছর পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক ৩০ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেন, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের জনগণের ওপর যে গভীর ও ব্যাপক হতাশা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, সামরিক বাহিনীর এই নির্বাচনের মাধ্যমে তা আরও গভীর হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক মানুষ কেবল ভয়ের কারণে ভোট দিয়েছেন অথবা ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। এটি তাদের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং তাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার ভোগের ক্ষেত্রেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, "দেশের বিশাল অংশ জুড়ে সংঘাত ও অস্থিরতা অব্যাহত ছিল। বিরোধী প্রার্থী এবং কিছু নৃগোষ্ঠীকে এই প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।"

তার দপ্তর উল্লেখ করেছে যে, দেশটির ৩৩০টি জনপদের মধ্যে মাত্র ২৬৩টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কেবল সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা শহরগুলোতে এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকার সীমিত কিছু অংশে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, "এর ফলে জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ, বিশেষ করে বাস্তুচ্যুত মানুষ এবং রোহিঙ্গা নৃগোষ্ঠীর মতো সংখ্যালঘুরা নির্বাচন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।"

মিস্টার তুর্ক মিয়ানমারে গত পাঁচ বছরের সামরিক শাসনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই সময়কালটি "রাজনৈতিক ভিন্নমত দমন, গণহারে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ, ব্যাপক নজরদারি এবং নাগরিক অধিকার খর্ব করার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে আছে।"

তিনি আরও বলেন, "এখন সামরিক বাহিনী মানুষকে ব্যালট বাক্সের দিকে যেতে বাধ্য করার মাধ্যমে তাদের সহিংস শাসনকে আরও পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করছে।"

তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "এটি কোনোভাবেই বেসামরিক শাসনের প্রতিফলন হতে পারে না।"

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন