শিরোনাম
বিবিসি বাংলার সৌজন্যে
প্রকাশ: ০৯:০৯, ৬ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত।
ভারতের আদানি গোষ্ঠী দাবি করেছে যে বাংলাদেশের কাছে রফতানি করা বিদ্যুতের দাম নিয়ে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে দুই পক্ষই সালিশি প্রক্রিয়ায় যেতে সম্মত হয়েছে। তবে বাংলাদেশের সরকার জানিয়েছে, আলোচনা হলেও এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিবিসি বাংলাকে পাঠানো এক বিবৃতিতে আদানি গোষ্ঠী বলছে, চুক্তি অনুযায়ী যেকোনো মতানৈক্য সমাধানে আন্তর্জাতিক সালিশি প্রক্রিয়াই একমাত্র পথ।
তারা এও জানিয়েছে যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড যে দাম দিতে রাজি হয়েছে, সেই অনুযায়ী নিয়মিত অর্থ তারা পেয়ে যাচ্ছে।
তবে, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে তারা বিদ্যুৎও দিয়ে যাবে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিবিসিকে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনা করছেন, তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
তবে সালিশি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথা আদানি গোষ্ঠী ঘোষণা করার ঠিক আগেই বাংলাদেশের সরকার ইঙ্গিত দিয়েছিল যে দেশটির বিদ্যুৎখাতে আগের সরকারের আমলে যে-সব চুক্তি হয়েছিল, তাতে অনেক দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে।
বিরোধ নিয়ে সালিশিতে যেতে চায় আদানি, সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ
ভারতের আদানি গোষ্ঠী দাবি করেছে যে বাংলাদেশের কাছে রফতানি করা বিদ্যুতের দাম নিয়ে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে দুই পক্ষই সালিশি প্রক্রিয়ায় যেতে সম্মত হয়েছে। তবে বাংলাদেশের সরকার জানিয়েছে, আলোচনা হলেও এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিবিসি বাংলাকে পাঠানো এক বিবৃতিতে আদানি গোষ্ঠী বলছে, চুক্তি অনুযায়ী যেকোনো মতানৈক্য সমাধানে আন্তর্জাতিক সালিশি প্রক্রিয়াই একমাত্র পথ।
তারা এও জানিয়েছে যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড যে দাম দিতে রাজি হয়েছে, সেই অনুযায়ী নিয়মিত অর্থ তারা পেয়ে যাচ্ছে।
তবে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে তারা বিদ্যুৎও দিয়ে যাবে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিবিসিকে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনা করছেন, তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ঘোষণা করেছিলেন যে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে তারা চুক্তি বাতিলের পথেও হাঁটতে পারেন।
তবে আন্তর্জাতিক চুক্তি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পেয়ে বাতিল করে দেওয়া কঠিন কাজ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডায় অবস্থিত ১,৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি করে আদানি গোষ্ঠী। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পুরোটাই বাংলাদেশে পাঠানো হয়।
এছাড়া, ভারত সরকারিভাবেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি করে থাকে।
গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাদের সঙ্গে বিদ্যুতের দাম নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে মতানৈক্য চলছে।
এবছরের গোড়ায় বিদ্যুতের দাম হিসেবে বাংলাদেশের কাছে তাদের প্রায় দু-শো কোটি ডলার বকেয়া ছিল বলে আদানি গোষ্ঠী গত সপ্তাহে জানিয়েছিল। কিন্তু এখন বকেয়ার পরিমাণ কমে এসে মাত্র ১৫ দিনের পাওনা বাকি আছে বলে জানিয়েছে শিল্প গোষ্ঠীটি।
তবে সালিশি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথা আদানি গোষ্ঠী ঘোষণা করার ঠিক আগেই বাংলাদেশের সরকার ইঙ্গিত দিয়েছিল যে দেশটির বিদ্যুৎখাতে আগের সরকারের আমলে যে-সব চুক্তি হয়েছিল, তাতে অনেক দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ঘোষণা করেছিলেন যে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে তারা চুক্তি বাতিলের পথেও হাঁটতে পারেন।
তবে আন্তর্জাতিক চুক্তি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পেয়ে বাতিল করে দেওয়া কঠিন কাজ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।