শিরোনাম
দৈনিক পূর্বকোণের সৌজন্যে
প্রকাশ: ২১:৩২, ২৮ মার্চ ২০২৬
টেকনাফের নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সীমান্তরেখা রচনা করেছে। দূরে আরাকানের টিলা দেখা যাচ্ছে। ছবি: পূর্বকোণের সৌজন্যে।
জেলেরা হলেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৪০), মো. ফরিদ হোসেন (৩০), মো. রবিউল হাসান (১৭), মো. কালাম (৩০), মো. হোসেন আহমদ (৩৮), মো. মীর কাশেম আলী (৪০), মো. গিয়াস উদ্দিন (৩৩), মো. সালাহউদ্দিন (১৮), মো. মহিউদ্দিন (২২), মো. মলা কালু মিয়া (৫৫), মো. আবু তাহের (৪০), মো. আবদুল খালেক (৪০) ও মো. জাবের মিয়া (২৪)। তাদের সবার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপের মাঝর পাড়া ও ডাংঙ্গর পাড়া গ্রামে।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান জানান, ভোর ৪টার সময় জেলেরা ঘাট থেকে নাফনদীর মোহনায় মাছ শিকারে বের হন। সকাল ৭টার দিকে মাছ ধরার সময় একাধিক নৌকাকে স্পিডবোটে করে আসা আরাকান আর্মি অস্ত্রের মুখে ধাওয়া করে ৩টি নৌকা ও ১৩ জেলেকে আটক করে নিয়ে যায়। নাফনদী-সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আরাকান আর্মি প্রায় সময় জেলেদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে জেলে ও নৌকা মালিকদের মধ্যে দুর্দিন নেমে আসবে। সরকারের সহায়তা কামনা করছি।
ফিরে আসা জেলেদের বরাত দিয়ে শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিম পাড়া জেলে সমিতির সভাপতি আব্দুল গফুর জানান, তারা ভোররাতে নৌকা নিয়ে মাছ শিকারে যেতেন। ঘটনার পর বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইনামুল হাফিজ নাদিম বলেন, নৌকা ও জেলেকে আটক করার বিষয়ে এখনও লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আটক জেলেদের ফিরিয়ে আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।