ঢাকা, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

১৭ ফাল্গুন ১৪৩২, ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম

Scroll
ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে: মির্জা ফখরুল
Scroll
ইরানের পরিস্থিতিতে স্থগিত ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণে সরকারের নজরদারি
Scroll
মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছুদের সহায়তায় মন্ত্রণালয়ের হটলাইন চালু
Scroll
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Scroll
শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Scroll
খামেনির মৃত্যু: করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ, গুলিতে নিহত ৯
Scroll
ইরানে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাল বাংলাদেশ
Scroll
ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালকে ৫শ’ বেডে উন্নীত করা হবে : মির্জা ফখরুল
Scroll
রমজানের পরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন : ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ
Scroll
দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা নেয়ার মাত্র ১৩ দিনেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি
Scroll
প্রধানমন্ত্রী ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মাঝেও বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন
Scroll
মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক শেয়ার বাজারে দরপতন, তেলের দাম বাড়তি
Scroll
সব পক্ষকে ‘যৌক্তিক আচরণের’ আহ্বান জাতিসংঘের
Scroll
জাহাজ কোম্পানি তাদের জাহাজ পারস্য উপসাগর থেকে দূরে থাকতে নির্দেশ
Scroll
জেদ্দা-রিয়াদ-মাস্কাটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চলবে আজ থেকে
Scroll
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের স্কুলে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৮
Scroll
ইরানের মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে পাল্টাহামলা
Scroll
পত্রিকা: ’জ্বালানিতে বড় সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ’
Scroll
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন
Scroll
মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছে, অধিকাংশ ফ্লাইট বাতিল

সফল সন্তান লালন-পালন: ভবিষ্যতে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ৭টি উপায়

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২০:১৫, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

সফল সন্তান লালন-পালন: ভবিষ্যতে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ৭টি উপায়

প্রতিনিধিত্বশীল ছবি: সংগৃহীত।


সব মা-বাবারই স্বপ্ন থাকে বড় হয়েও সন্তান যেন তাদের সাথে সময় কাটায়, জয়-পরাজয়ের গল্প ভাগ করে নেয় এবং প্রয়োজনে পরামর্শ চায়। একজন সচেতন অভিভাবকত্ব গবেষক হিসেবে আমি ২০০ জনেরও বেশি শিশুর ওপর গবেষণা করেছি। আমি দেখেছি, এই দীর্ঘমেয়াদী আত্মিক টান তৈরি হয় শৈশবের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোতে, যখন একটি শিশু বুঝতে শেখে যে তার মা-বাবার কাছে সে নিরাপদ, লিখেছেন রীম রাউদা, সিএনবিসি’র একজন প্রতিবেদক।

সন্তানের সাথে আজীবন সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলে নিচের এই চর্চাগুলো শুরু করুন:

সন্তানের ওপর আস্থা রাখুন
সন্তানকে আমরা যতটুকু বিশ্বাস করি, তারা ঠিক ততটুকুই দায়িত্বশীল হতে শেখে। যখন তাদের সবসময় চোখে চোখে রাখা হয় বা সব কাজে ভুল ধরা হয়, তখন তারা জেদি বা গোপনচারী হয়ে ওঠে।

কী করবেন: সন্তানকে বলুন, “আমি তোমাকে বিশ্বাস করি। কোনো কিছু কঠিন মনে হলে তুমি আমার কাছে এসে বলতে পারো।” এই ভরসাটুকুই পরবর্তীতে তাদের জীবনের ভিত্তি হয়ে দাঁড়াবে।

সব ধরনের আবেগকে স্বাভাবিকভাবে নিন
আমরা সাধারণত সন্তানের হাসি বা আনন্দই দেখতে চাই। কিন্তু আপনি যদি চান আপনার সন্তান বড় হয়েও আপনার কাছে সব শেয়ার করুক, তবে তাকে শেখাতে হবে যে তার দুঃখ বা রাগও আপনার কাছে নিরাপদ।

কী করবেন: সন্তানের কান্না, ভয় বা বিরক্তিকে থামিয়ে দেবেন না। তাদের বলুন, “তোমার যেমনই লাগুক না কেন, আমার কাছে বলতে পারো।” শৈশবের এই মানসিক নিরাপত্তা পরবর্তী জীবনের খোলামেলা সম্পর্কের চাবিকাঠি।

নিজের ছাঁচে গড়ার চেষ্টা বন্ধ করুন
অনেক সন্তান তাদের মা-বাবার থেকে দূরে সরে যায় কারণ তারা বড়দের প্রত্যাশার চাপে দমবন্ধ অনুভব করে। তাদের নিজস্ব কৌতূহল, চঞ্চলতা বা অদ্ভুত শখগুলোকে জায়গা দিন।

কী করবেন: সন্তানকে তার নিজের মতো বড় হতে দিন। যারা মানুষকে তার নিজস্ব সত্তাসহ গ্রহণ করে, সন্তান বড় হয়ে তাদের সাথেই থাকতে পছন্দ করে।

সন্তানকে পুরোপুরি গ্রহণ করুন (এমনকি যা আপনি বোঝেন না তাও)
কোনো কিছু মেনে নেওয়া মানেই এই নয় যে আপনি তার সাথে একমত। এর অর্থ হলো সন্তানকে এই বার্তা দেওয়া যে— “তুমি যেমনই হও না কেন, তুমি আমার কাছে প্রিয়।”

কী করবেন: সন্তানের ব্যক্তিত্বের সবটুকু গ্রহণ করুন, শুধু আপনার পছন্দের অংশটুকু নয়। যখন তারা শৈশবে পূর্ণ গ্রহণযোগ্যতা পায়, বড় হয়ে তারা আপনার কাছে কিছু লুকানোর প্রয়োজন বোধ করে না।
নিজের ভুল সংশোধন করুন (Repair)
মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যকার মজবুত সম্পর্ক গড়ে ওঠে ভুল সংশোধনের মাধ্যমে। "তুমি এমন মনে করেছ বলে আমি দুঃখিত"—এভাবে না বলে বরং বলুন: "আমি দুঃখিত। তোমার সাথে এমন আচরণ করা আমার ঠিক হয়নি। আমি নিজেকে শুধরানোর চেষ্টা করব।"

শিক্ষা: যখন অভিভাবকরা নিজের ভুলের দায়িত্ব নেন, তখন সন্তান শেখে যে ভুল করলেও সম্পর্ক ভেঙে যায় না।

কথা বলার চেয়ে শোনার অভ্যাস বেশি করুন
সন্তান যখন মনে করে যে কেউ তার কথা শুনছে না, তখন সে গুটিয়ে যেতে শুরু করে। তারা যখন তাদের ভয় বা হতাশার কথা শেয়ার করে, তখন তারা আসলে আপনার সাথে সংযোগ (Connection) চায়।

কী করবেন: সাথে সাথেই কোনো সমাধান দিতে যাবেন না। বরং বলুন: "এই ব্যাপারে আমাকে আরও খুলে বলো।" আপনার শোনার মানসিকতাই একটি মজবুত সেতু তৈরি করবে, যা বড় হওয়ার সাথে সাথে আরও দৃঢ় হবে।

শাস্তি ছাড়াই তাদের দ্বিমত পোষণ করতে দিন
যদি একটি শিশু ছোটবেলা থেকেই শেখে যে ভিন্ন মত প্রকাশ করলে অশান্তি হবে, শাস্তি পেতে হবে বা মা-বাবার ভালোবাসা কমে যাবে, তবে বড় হয়ে তারা সত্যি কথা বলা বন্ধ করে দেবে।

শিক্ষা: সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার জন্য মানসিক স্বাধীনতা প্রয়োজন। তাই যখন আপনার সন্তান আপনার সাথে একমত হবে না, তখন শাসনের পরিবর্তে কৌতুহল নিয়ে তা বোঝার চেষ্টা করুন। তাদের শেখান যে সততা নিরাপদ এবং ভিন্ন মতের কারণে আপনাদের বন্ধন কখনো আলগা হবে না।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন