শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯:১৩, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: ডিএফআইডি-এর সৌজন্যে।
পুরুষরা সাধারণত বিশ্রামের সময়ও বেশি শক্তি ব্যয় করেন, তবে অন্যান্য বিষয়গুলোও এখানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
লাফবরো ইউনিভার্সিটির পারফরম্যান্স নিউট্রিশনিস্ট বেথান ক্রাউস বলেন, সাধারণভাবে বলতে গেলে উত্তরটি হ্যাঁ। তবে এটি সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নয়। মানুষ নড়াচড়া থেকে শুরু করে ঘুমানো—সবকিছুর জন্যই ক্যালরি খরচ করে। ১৯ থেকে ৬৪ বছর বয়সী সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্দেশিকা অনুযায়ী, নারীদের দৈনিক প্রায় ২,০০০ ক্যালরি এবং পুরুষদের প্রায় ২,৫০০ ক্যালরি প্রয়োজন।
শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই চাহিদা ভিন্ন হয় এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটি কমতে থাকে। বিশেষ করে ৬৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সের মধ্যে চাহিদা কমে এবং ৭৫ বছরের পর তা আরও হ্রাস পায়। তবে এই গড় হিসাবের আড়ালে অনেক ভিন্নতা রয়েছে, প্রতিবেদন দ্য গার্ডিয়ানের।
পুরুষদের সাধারণত বেশি ক্যালরি প্রয়োজন হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো, তাদের বেসাল মেটাবলিক রেট বা বিশ্রামের সময় শক্তি ব্যয়ের হার বেশি। এর বড় কারণ হলো শরীরের গঠন। গড়ে পুরুষদের পেশিবহুল ভর বেশি থাকে, যেখানে নারীদের শরীরে চর্বির অনুপাত বেশি থাকে। চর্বির তুলনায় পেশি বেশি ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।
পেশির এই তারতম্য কেবল খাবার বা ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করে না, বরং হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। টেস্টোস্টেরন হরমোন পুরুষদের শরীরে বেশি থাকে যা পেশি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এর মানে হলো, একই উচ্চতা, বয়স, ওজন এবং একই ব্যায়ামের রুটিন থাকা সত্ত্বেও একজন নারী ও পুরুষের ক্যালরি চাহিদা ভিন্ন হতে পারে। তবে ক্রাউস বলেন, এখানে ব্যক্তিগত ভিন্নতাও কাজ করে।
উদাহরণস্বরূপ, একজন পেশিবহুল নারী এবং একজন সাধারণ গড়নের পুরুষের কথা ধরা যাক। ওই নারীর বিশ্রামের সময়ও ওই পুরুষের চেয়ে বেশি ক্যালরি প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া ধরে নেওয়া যায় যে, ওই নারী সম্ভবত ব্যায়ামও বেশি করছেন, যা তার ক্যালরির চাহিদা আরও বাড়িয়ে দেয়। আবার দীর্ঘমেয়াদী ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে খুব কম ক্যালরি গ্রহণ করলে শরীরের মেটাবলিক রেট বা শক্তি ব্যয়ের সক্ষমতা কমে যেতে পারে।