শিরোনাম
বিবিসি নিউজ বাংলা
প্রকাশ: ০৯:০৪, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৯:১৬, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— ড. ইউনূসের সরকার কি ভূরাজনৈতিক?
এতে বলা হয়েছে, বিদায়ের মুহূর্তেও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একের পর এক আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই করছে।
যার মধ্যে রয়েছে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তরবিষয়ক চুক্তি সই। ভোটের তিনদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি সই এবং আপত্তি উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দেয়ার প্রক্রিয়াও অনেকখানি এগিয়েছে।
একাধিক চুক্তিতে নন-ডিসক্লোজার (গোপনীয়তা) ক্লজ থাকায় চুক্তির শর্তাবলি ও পারস্পরিক দায়দায়িত্বের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এছাড়া, নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর প্রতিরক্ষা খাতেও একাধিক বড় উদ্যোগ আলোচনায় এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তফসিল ঘোষণার পর একটি সরকারের প্রধান দায়িত্ব নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্নের জন্য প্রশাসনকে প্রস্তুত করা।
তারা বলছেন, সংস্কারই যেখানে সরকারের মূল ম্যান্ডেট ছিল, সেখানে চুক্তিসংক্রান্ত তৎপরতা এতটাই প্রাধান্য পেয়েছে যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দায়িত্ব নেয়া অন্তর্বর্তী সরকার 'ভূরাজনৈতিক সরকারে' রূপ নিয়েছে।
বিশেষ করে যখন এসব কৌশলগত সিদ্ধান্তের অনেকগুলোই দীর্ঘমেয়াদি এবং ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের নীতিগত পরিসর সংকুচিত করতে পারে।
অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও নিছক প্রশাসনিক বা উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এগুলো স্পষ্টভাবেই ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ সংক্রান্ত খবর ঢাকার সকল পত্রিকা গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে প্রথম আলোর প্রধান খবর— বিএনপির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন ও জবাবদিহি।
বিএনপির ইশতেহারে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন, ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতিসংক্রান্ত মোট ৫১টি বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির উল্লেখ করেছে দলটি।
দলটি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হবে 'সবার আগে বাংলাদেশ'।
গতকাল ইশতেহার প্রকাশের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, তিনি যত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন, তার কিছুই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না, যদি তিনটি বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না দেওয়া যায়। এগুলো হলো দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন ও জবাবদিহি।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh, Japan sign major trade deal to safeguard market access post LDC।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে 'অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি' সই করেছে।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সই করল। এর ফলে তৈরি পোশাকসহ প্রায় সাত হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে ১০০ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করবে।
এছাড়া, জাপানের আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং এবং নার্সিংয়ের মতো প্রায় ১৬টি বিভাগে ১২০টি সেবা খাতে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে।
গতকাল শুক্রবার জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও এই চুক্তি সই করেন।
অন্যদিকে, জাপানের জন্য ১২টি বিভাগের আওতায় ৯৮টি উপখাত উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। যা বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি এবং লজিস্টিকস প্রভৃতি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সমকালের দ্বিতীয় প্রধান খবর— সরকার কঠোর, শ্রমিক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ, ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি করতে কঠোর অবস্থানে সরকার।
আন্দোলনকারী ১৫ নেতার সম্পদের তথ্য তলব করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চিঠি পাঠিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে আন্দোলনকারীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার বন্দর চেয়ারম্যানের কুশপুতুল দাহ করেছেন। শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ সভা করে আগামী রোববার থেকে ফের কর্মবিরতি শুরু হলে তা সমর্থন করার আগাম বার্তা দিয়ে রেখেছে।
এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফের কর্মবিরতি শুরু হলে রমজানের আগে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বেন। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জলসীমায় থাকা ১১৮টি জাহাজে আছে প্রায় ৫০ লাখ টন পণ্য। এর মধ্যে আছে ভোগ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামাল।
এর বাইরে জেটিতে জমে আছে ৩৭ হাজার আমদানি কনটেইনার। ২১টি বেসরকারি ডিপোতে রপ্তানি কনটেইনার আছে ১৪ হাজারের বেশি।
ভোট ও রমজানের আগে এসব পণ্য খালাসের পরিকল্পনা থাকলেও টানা ছয় দিনের কর্মবিরতিতে তা সম্ভব হয়নি।
দ্য ডেইলি স্টারের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Young candidates dominate race; অর্থাৎ এবারের ভোটের লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ প্রার্থী রয়েছেন।
এই খবরে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান কেবল প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথই খুলে দেয়নি; সংসদ সদস্য হতে আগ্রহীদের তালিকায়ও এসেছে পরিবর্তন।
কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো এবার ভোটের লড়াইয়ে কেবল বয়স্ক রাজনীতিবিদদের আধিপত্য নেই। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবারের লড়াইয়ে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থীর বয়স ২৫ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে।
যার মধ্যে ২৫-৩৪ বছর বয়সী প্রার্থীদের হার নয় দশমিক ৪১ শতাংশ প্রার্থী। চব্বিশের ভোটে যা ছিল ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ; ২০১৮ সালে শূন্য দশমিক ১৬ শতাংশ।
এদিকে, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রার্থীর হার এবার ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যা ২০১৪ সালে ছিল ৬৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
তাছাড়া, এক হাজার ৫১৮ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যা মোট প্রার্থীর তিন-চতুর্থাংশ।
যমুনা ঘিরে সংঘর্ষে উত্তাল ঢাকা— দেশ রূপান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারের দাবি এবং নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
একদিকে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে থাকে। অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।
এতে এদিন দুপুরের পর রাজধানীর শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও বাংলামোটর এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এর মধ্যে 'পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত' এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে।
সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ও রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। পরে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা শাহবাগ অবরোধ করেন। সেখানেও রাত সাড়ে আটটার দিকে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
পরে পুলিশের সঙ্গে হঠাৎ করেই শাহবাগ মোড় ছেড়ে যান আন্দোলনকারীরা।
ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা নিয়ে ধূম্রজাল— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করছে সরকার।
এবারই প্রথম কোনো নির্বাচনে পুরো দেশের সবকটি ভোটকেন্দ্রে ক্যামেরা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করে ভোটগ্রহণ করা হবে।
ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেয়ার জন্যই মূলত সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেয় সরকার।
দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে আগে থেকেই সিসি ক্যামেরা রয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে নতুন করে ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।
তবে এই ক্যামেরা লাগানো, নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য মিলছে না।
এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও স্থাপন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, কোথাও কোথাও একটি দল সমর্থিত ব্যবসায়ীরা ক্যামেরা লাগানোর দায়িত্ব পেয়েছেন।
কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— বেনজীর-নাফিসার প্রতিষ্ঠান থেকে বডিওর্ন ক্যামেরা ক্রয়।
এই খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ৪০ হাজার বডিওর্ন ক্যামেরা কেনা হয়েছে, এই ক্যামেরা দিয়ে এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ।
যেসব প্রতিষ্ঠান এসব ক্যামেরা সরবরাহ করেছে, তার মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে 'স্মার্ট টেকনোলজিস'। এটির মালিকানায় রয়েছেন দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের মেয়ে নাফিসা কামাল।
এই প্রতিষ্ঠান থেকে অন্তর্বর্তী সরকার বডিওর্ন ক্যামেরা কেনার কারণে খোদ পুলিশের মাঝেই সমালোচনা রয়েছে।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ আমলে পুলিশের সব টেন্ডার পেয়েছে। এবারের বডিওর্ন ক্যামেরা আমদানিতেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে, এই ক্যামেরা যথাযথ কাজ না করলে বেশ সমস্যায় পড়তে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বিতর্কিত বিশ্বকাপে না থেকেও আছে বাংলাদেশ— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, ২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বরাবরই খেলে এসেছে বাংলাদেশ। এবারও সরাসরি জায়গা করে নিয়েছিলেন লিটন-মোস্তাফিজরা।
কিন্তু বাংলাদেশকে ছাড়াই শুরু হচ্ছে এই বিশ্বকাপ।
ক্রিকেটীয় কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। তাই এটিকে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত টুর্নামেন্ট বলা যেতে পারে।
বাংলাদেশ নেই বলে কলকাতায় টিকিটের চাহিদায় ধস নেমেছে বলেও খবর ভারতীয় পত্রপত্রিকার।
আর বাদ পড়া বাংলাদেশের সমর্থনে গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত চাপে থাকা আইসিসিকে আরও চাপে ফেলেছে।
পাকিস্তান ম্যাচটি বর্জন করলে বিপুল রাজস্ব হারাবে আইসিসি। তাই এই বিশ্বকাপে না থেকেও আছে বাংলাদেশ।