শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০:০২, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৩, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
কলম্বিয়ার ও ভেনিজুয়েলা সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার ১৫ জন আরোহী নিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানে থাকা এক আইনপ্রণেতাসহ সকল যাত্রী ও ক্রু সদস্যের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বোগোটার এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।
রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সাতেনা (Satena) দ্বারা পরিচালিত বিমানটি সীমান্ত শহর কুকুত থেকে উড্ডয়ন করেছিল। ওকানাতে অবতরণের কিছুক্ষণ আগে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, খবর দিয়েছে তুরস্কের ডেইলী সাবাহ।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন যে, দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই।
দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাটি অত্যন্ত পাহাড়ি এবং সেখানে আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হয়। এছাড়া ওই এলাকার বিশাল অংশ কলম্বিয়ার বৃহত্তম গেরিলা গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
স্থানীয় সংসদ সদস্য উইলমার কারিলো এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় তার সহকর্মী ডায়োজিনেস কুইন্টেরো, কার্লোস সালসেডো এবং তাদের দল ওই বিমানে ভ্রমণ করছিলেন। কুইন্টেরো কলম্বিয়ার চেম্বার অফ ডেপুটিজের একজন সদস্য এবং সালসেডো আসন্ন নির্বাচনের একজন প্রার্থী ছিলেন।
বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল বিচক্র্যাফ্ট ১৯০০ টুইন-প্রপেলার মডেলের, যা বেসরকারি চার্টার প্রতিষ্ঠান সিয়ারকা (SEARCA) দ্বারা পরিচালিত হতো।
জেমিনাই যোগ করেছে:
কলম্বিয়ার স্থানীয় সময় সকাল ১১:৪২ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১১ টা) বিমানটি কুকুত (Cúcuta) বিমানবন্দর থেকে ওকানার (Ocaña) উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন: উড্ডয়নের মাত্র ১২ মিনিট পর, অর্থাৎ স্থানীয় সময় সকাল ১১:৫৪ মিনিটে বিমানটির সাথে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের শেষ যোগাযোগ হয়।
নির্ধারিত অবতরণ: বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর ১২:০৫ থেকে ১২:১০ মিনিটের মধ্যে অবতরণ করার কথা ছিল।
তদন্তকারীদের মতে, বিমানটি ওকানাতে অবতরণের ঠিক আগ মুহূর্তে রাডার থেকে হারিয়ে যায় এবং পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।