শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯:৩৪, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৯:৩৯, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত।
এয়ার ইন্ডিয়া তাদের একটি এয়ারবাস বিমান উড্ডয়নযোগ্যতার প্রমাণপত্র ছাড়াই আটবার চালানোর অপরাধে ১১০,৩৫০ ডলার জরিমানার সম্মুখীন হয়েছে। ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের মতে, এই ঘটনাটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই এয়ারলাইন্সের ওপর জনগণের আস্থা আরও কমিয়ে দিয়েছে।
গত ২৪ এবং ২৫ নভেম্বর একটি এয়ারবাস এ৩২০ বিমান নতুন দিল্লি, বেঙ্গালুরু, মুম্বাই এবং হায়দ্রাবাদের মধ্যে যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করে। বিমানটির কাছে তখন বাধ্যতামূলক 'এয়ারওয়ার্থিনেস রিভিউ সার্টিফিকেট' (ARC) ছিল না। এটি মূলত একটি বার্ষিক অনুমতিপত্র যা নিরাপত্তা ও কমপ্লায়েন্স পরীক্ষার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা দিয়ে থাকে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার নিজস্ব তদন্তে এই ঘটনার পেছনে "পদ্ধতিগত ব্যর্থতা" খুঁজে পাওয়া গেছে। এয়ারলাইন্সটি স্বীকার করেছে যে তাদের প্রতিষ্ঠানে কমপ্লায়েন্স বা নিয়ম মানার সংস্কৃতি উন্নত করা জরুরি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ক্যাম্পবেল উইলসনকে পাঠানো একটি গোপন দণ্ডাদেশে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (DGCA)-এর যুগ্ম মহাপরিচালক মণীশ কুমার জানান, এই ধরনের গাফিলতি জননিরাপত্তা এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই ল্যাপসের জন্য তিনি সিইও-কে দায়ী করেন।
এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা এই নির্দেশটি গ্রহণ করেছে এবং গত বছর নিজেরাই বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল। তারা আরও বলেছে যে সব ধরণের ত্রুটি ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে। এয়ারলাইন্সটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত বছরের জুনে একটি বোয়িং ড্রিমলাইনার বিধ্বস্ত হয়ে ২৬০ জনের মৃত্যুর পর এয়ার ইন্ডিয়া এমনিতেই চাপের মুখে ছিল। বর্তমান এই ঘটনার তদন্তে পাইলটদেরও দায়ী করা হয়েছে, কারণ তারা উড্ডয়নের আগে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি (SOP) মেনে চলেননি। টাটা গ্রুপ এবং সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের মালিকানাধীন এই সংস্থাটি এর আগেও জরুরি সরঞ্জাম পরীক্ষা না করে বিমান চালানো এবং অন্যান্য অডিট সংক্রান্ত ত্রুটির জন্য সতর্কবার্তা পেয়েছিল।